Writing thesis………. :)

Few days to go…. Gonna finish five years journey… Very hard time…..

Writing PhD thesis on “Roles of Nitric Oxide in Gut Permeability and Motility”

When I was in my childhood I Dreamt to be an MD or a PhD. Allah has accepted me for second one and gave me chance to work for PhD. Though I don´t have much excitement in me but I felt by having a PhD degree is a kind of responsibility toward scientific community to contribute and solve the problem for mankind. To me it is not about just holding a degree but it meant a lots to me. To me PhDs should take responsibility not only to solve the problem but also to take initiative to create job for fellow students. Hope I will have opportunity to do something for the common people……………………. 🙂

 

Keep me in your prayer.

 

Looking for future position in medical research…. 😉

Few nice words :)

tumblr_static_image

 

 

” Stop looking for reasons to hate people. Stop focusing on others and fix your own character. I know it makes you proud to have some honor, but you are only mud and water.”

 

 

“When Allah inspires your tongue to ask, know that He wants to give”

 

 

tumblr_nplcenYO9O1tkvvxio1_500

 

“Half of life is lost in charming others. The other half is lost in going through anxieties caused by others.Leave this play, you have played enough”

 

tumblr_mkh3zzuLLm1qhmhdfo1_500

সূখ কি পোষ্ট করা যায়??

ফেইসবুক হাজার মানুষের হাজার রকমের পোষ্ট। পোষ্টের ধরন যে কত প্রকার হতে পারে তার ইয়ত্তা নেই। কে কখন কোথায় গেলো, কখন বউয়ের সাথে কি খাইলো, কোথায় ঘুরতে গেলো এগুলোর ছবি। এগুলো দিয়ে কি সূখ প্রকাশ করা যায়?? নাকি ভালোবাসা প্রকাশ করা যায়??
ভালোবাসা কি এত মেকি? সূখ কি এতই সস্তা একটা ছবি দিয়ে সূখি থাকা প্রকাশ করা যায়?

মানুষের অন্তর ক্ষনিত আনন্দ ও ক্ষনিক ভালোলাগার বিষয়গুলোর প্রতি বেশি আসক্ত। নিজেদের ভালোথাকা মানুষকে বুঝিয়ে লাভ? 🙂 আর সেটি যদি স্বামী-বউ হয় তাহলে সেটি আরো বেশি চিন্তার বিষয়। কারন স্বামী এবং বউয়ের একান্ত কাটানো মানে ঘুরতে গিয়ে কাটানো সময়, একসাথে খাওয়ার সময়ের ছবি মানুষের সাথে শেয়ার করার অর্থ বুঝা খুব একটা কঠিন না। আপনি আমি যখন এগুলো শেয়ার দেই তখন এর মধ্যে মানুষকে দেখানোর একটি প্রচ্ছন্ন ভাব থাকে। দেখানো। এই দেখানো জিনিসটি আসলেই খুব একটা পজিটিভ না। কারন মানুষকে দেখানোর প্রবনতা আসলে এক ধরনের গরীব অন্তরের কাজ। যে অন্তরগুলো মানুষকে দেখিয়ে সূখ অনুভব করে। এগুলোর মধ্যে ভালাইও কিছু নেই। আগের যুগের মানুষের মধ্যে সূখ ছিলোনা? ছিলো সেখানে সম্পর্ক গুলো ছিলো আরো বেশি ভালো আরো বেশি মধুর। আগের সম্পর্ক গুলোর মধ্যে ছিলো একধরনের শ্রদ্ধা এবং খাটি ভালোবাসার বন্ধন। আর এখন সেটি এখন ক্ষনস্থায়ী এক ধরনের অনুভূতি।

এগুলো হওয়ার কারনই হলো মানুষের অন্তরের যে সৌন্দর্য্য তার অবনতির ফল। মানুষের অন্তর যখন স্রষ্টার জিকির থেকে দুরে অবস্থান করে তখন মানুষ নিজেদের ভালোলাগার জিনিসগুলো স্রস্টার সাথে শেয়ারের পরিবর্তে কমন মানুষের সাথে শেয়ার করে পরিতৃপ্তি খুজেফিরে। এগুলো হলো অতৃপ্ত আত্নার অনুভূতির প্রকাশ।

চোখের দৃষ্টি এবং অন্তরদৃষ্টি, আল্লাহর কি অপূর্ব সৃষ্টি

চোখ মানুষের অমুল্য সম্পদ। যারা চোখ দিয়ে একবার পৃথিবীকে দেখেছে, কোন কারনে দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেললে চোখ হারানোর ব্যাথা, চোখ থাকার মর্ম তারাই বুঝতে পারে। অনেকেই লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যায় করে চোখ ফিরে পেতে। পৃথিবীর রূপ-সৌন্দর্য্য, চারপাশের প্রকৃতি, বাগানের ফুলের সৌন্দর্য এগুলো দেখার জন্য ছটপট করে মানুষের মন। সৃষ্টিকর্ত চোখ দিয়েছে পৃথিবীর সৌন্দর্য্য কে উপলব্ধি করার জন্য, সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টি কত সুন্দর সেটি দেখার জন্য।

সৃষ্টিকর্তা মানুষের মন নামক একটি জিনিস দিয়েছে। মানুষের অন্তরদৃষ্টি বলে একটি জিনিস আছে। এই অন্তরদৃষ্টির সাথে রয়েছে সৃষ্টিকর্তার সরাসরি সম্পর্ক। যে হৃদয় অন্তরদৃষ্টি দিয়ে সৃষ্টিকর্তার সৌন্দর্য্য, সৃষ্টিকর্তার রহমত ও করুনা কে দেখতে পায় সেই হৃদ্য হল প্রশান্ত হৃদ্য। কারো এই অন্তরদৃষ্টি হারিয়ে গেলে বা নষ্ট হয়ে গেলে মানুষের অন্তরের যে সৌন্দর্য্য সেটি হারিয়ে যায়। তবে মজার বিষয় হলো মানুষ চোখ হারালে সহজেই উপলব্ধি করতে পারে এবং তার জন্য তার সমস্ত চেষ্টা নিয়োজিত রাখে। কিন্তু তার অন্তরদৃষ্টি হারিয়ে ফেললে, নষ্ট করে ফেললে সেটি যেমন সে বুঝতেই পারে না ঠিক তেমনি তার জন্য মানুষ ন্যুনতম সময়ো ব্যয় করতে প্রস্তত থাকেনা। অথচ মানুষের চোখের চেয়ে বড় মুল্যবান হলো মানুষের অন্তরের দৃষ্টি। কারন চোখের সংযোগ ক্ষনস্থায়ী, নশ্বর সব জিনিসের সাথে আর মানুষের অন্তরদৃষ্টির সংযোগ এক অবিনশ্বর সৃষ্টিকর্তার সাথে।

মহান সৃষ্টিকর্তা সবার অন্তরদৃষ্টিকে স্বর্গীয় সৌন্দ

গবেষনা ল্যাবের পলিটিক্স

জীবন হলো এক অদ্ভূত জিনিস। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে জটিলতায় পরিপূর্ণ। কি ব্যক্তি জীবন, কি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সব জায়গায় পলিটক্স। কোথায় যেন শুনেছিলাম কেউ একজন বলেছিলো যে, তোমরা রাজনীতি করো কিন্তু পলিটিক্স করোনা। উনার মতে পলিটিক্স হলো নোংরা জিনিস। গ্রামীন পরিবেশে শৈশব কাটানো আমার জীবনটা ছিলো অনেক সহজ সরল। ছোট বেলায় যখন গ্রামে থাকতাম আমি খেলতে যেতাম সবার সাথে। আমার ঠিক উপরের বড় ভাইটি গ্রামীন কিছু খেলা ভালো খেলতে পারতো, যেমনঃ মার্বেল খেলা, দিয়াশলাইয়ের খোলস দিয়ে খেলা, তারপর পয়সা দিয়ে দান মারা 🙂 আমি এসব খুব একটা পারতাম না তবে আমার বড় ভাইয়ের জিনিস গুলো হাতে ধরে রাখতাম। এখন আর সেই ছোট নেই। দেশ ছেড়ে বহুদুরে।

ছোট বেলায় ভাবতাম হয় ডাক্তার হবো নয়ত ডক্টর হবো। আল্লাহ পরের আশাটা পুরন করার পথে। প্রায় ৫ বছর আছি গবেষনায়। ছা্ত্রহিসেবে আমি মধ্যবিত্ত 😛 তাই আমার মনের মত ল্যাবে কাজ করার সুযোগের চেষ্টা করতে পারিনি। একাডেমিক ছাত্র হিসেবে যেমন মধ্যবিত্ত অর্থনৈতিকভাবেও ছিলাম মধ্যবিত্ত পরিবারের একজন ছোট সদস্য। বিদেশে আসার কিছুদিন পরই চিন্তায় পরে গেলাম কি করা যায়, জীবনের সংগ্রামে পড়ে গেলাম। দেশে থাকলে হয়ত বিসিএস এ একটা পজিশন নিতাম। সুতরাং পিএইচডি পজিশনটা পাওয়া সোনর হরিনের মত হয়ে উঠলো। আল্লাহর রহমতে পেয়ে গেলাম। আলহামদুলিল্লাহ! ল্যাব সুপারভাইজর মানুষ হিসেবে ভালো।

তবে গবেষনার কাজ শুরু করার কিছুদিন পর কিছু কিছু বিষয় বুঝতে পারলাম, যে গবেষনায় ধরন আলাদা হলেও রাজনীতি আছে। আর একটি জিনিস বুঝলাম গবেষনা যেমন একটি প্যাশনের ব্যাপার তবে অনেক মানুষ আছে গবেষনা করে শখের বশে, অথবা কেউ করে ব্যবসা হিসেবে। নিজের পাবলিকেশনে দেখবেন আর একজন প্রথম অথার হয়ে বসে আছে। খুব পরিশ্রম করে কাজ করলেন প্রফেসর এসে বললো তাড়াতাড়ি ডিফেন্স দাও। ৪ বছরের কাজ ৩ বছরে শেষ করলাম, যাতে করে শেষ বছরটায় আরো বেশি কাজ করে আরো ভালো একটি পাবলিশন করা যায়, দেখা গেল প্রফেসর এসে বলছে জলদি ডিফেন্স দাও। মধ্যবি্ত্তের বিড়ম্বনা! 😛

জীবনের প্রতিটি জিনিসের মধ্যেই জটিলতা, পলিটিক্স আর বিড়ম্বনায় ভরপুর। সে তুলনায় আগের গ্রামীন জীবনকে আমার কাজে বেশি সরল মনেহয়। কারন সেখানকার মানুষগুলো অল্পতেই জীবনে সূখী হতে পারে। তবে ইদানিং শহুরে পলিটিক্সের ছোয়া গ্রামে লাগার কারনে গ্রামীন সমাজের সৌন্দর্য্য নষ্ট হয়ে গেছে।
তবে যাহাই ঘটুক জীবনকে উপভোগ করতে পারার মধ্যে প্রকৃত সূখ নিহিত। জীবনে পাওয়া না পাওয়ার হিসেব না করে শুধু সামনে এগুনোর মধ্যেই সফলতা। জীবনকে কারো সাথে তুলনা না করে নিজের জীবনকে নিজের মতে করে যাপন করার মধ্যে ই মূলতঃ প্রকৃত শান্তি। প্রত্যেকটি মানুষ আলাদা, প্রত্যেকটি মানুষের পেছনের ইতিহাস, পেছনের পরিবেশ আলাদা। সুতরাং প্রত্যেকটি মানুষের আউটকাম ও আলাদা হবে, সবার আউটকামের তাৎপর্য্যও আলাদা। তবে সমাজের সব মানুষের কাজের তাৎপর্য আছে তাই সবার কাজকে সবার সন্মান করা উচিত।

যেখানে যাই ঘটুক গবেষনার ল্যাব গুলো থেকে পলিটিক্স দুরে থাক এই কামনা করি। 😉

https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js?client=ca-pub-5273376282874147

জীবনবোধ

মোবাইলের হেডফোনটা পকেটে রাখার পর প্রয়োজনের সময় বের করলে অনেক প্যাচ/জট লেগে যায়। মাথায়ই আসেনা এত প্যাচ কেমনে লাগে! মনেহয় বাবুই পাখির বাসার মত প্যাচ।আমাদের ল্যাবের আর একজন ৪৬ বছর বয়সী পিএইচডি স্টুডেন্টকে জট গুলো দেখানোর পর সে তার হেডসেট টা দেখালো সুন্দর করে সাজানো। সে বললো এভাবেই সে পকেটে রাখে। আমার এক বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধু প্রতি ইয়ারে দেখেছি নোট গুছিয়ে রাখতো। এভাবে গুছিয়ে রাখার কারনেই তার রেজাল্ট ভালো হতো। যদিও অগোছালো মানুষগুলোর মাথায় বুদ্ধি বেশি থাকে, কারন অগোছালো মানুষগুলো একটু ড্যাম কেয়ারের হয়, সিচুয়েশন মানিয়ে নিতে পারে, স্ট্রেস নিতে পারে। তবে সাজানো গুছানো লাইফে ঝক্কি ঝামেলা হয় খুব কমই।
 
গুছিয়ে না রাখলে হেডফোনটা বের করে জট খুলতেই অনেক সময় চলে যায়, জীবনকে গুছিয়ে রাখতে না পারলে জীবন নানা জটের মধ্যে পড়ে যায়। একটার পর আর একটা জটে,জীবনের ক্ষয় হতে থাকে। সময়ের কাজ তাই সময়ে করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। সময়ের সাথে সাথে মানুষের জীবন নানা জটের পাকে ঘুরতে থাকে, মানুষ জট থেকে বের হওয়ার সংগ্রামে তখন ছুটতেই ব্যস্ত হয়ে পড়ে, কিন্তু জট থেকে মুক্ত হওয়া তখন আর হয়ে উঠেনা। এক জট থেকে র এক জট।
 
২০ এর পরে জীবনবোধ আর ৩০ পেরিয়ে জীবনবোধের যে বিশাল পার্থক্য সেটি কেবল বয়স হলেই বুঝা সম্ভব। ২০ এর জীবনবোধ হলো ঝড়ো বাতাসে উড়ন্ত ঘুড়ির মত। রোমাঞ্চ আর উত্তজনায় ভরপুর, কখনও মনেহয় হয়ত ফেটেই যাবে বাতাসে, কখনও একদিন তো কখনও আর একদিন, এই বুঝি সুতা ছেড়ে উড়ে পরে যায় কোথাও তারপরও ভ্রুক্ষেপ থাকেনা কোথাও।
 
আর ৩০ এর জীবনবোধ হলো, মৃদু কোমল বাতাসে উড়ন্ত ঘুড়ি, যার মধ্যে উত্তজনা কম, শুধু উড়তেই থাকে তার মধ্যে পড়ে যাওয়ার লক্ষন খুব একটা দেখা যায় না যদি সুতাটা মজবুদ থাকে তো।
 
মানুষ ইচ্ছে করলেও হয়ত তার পূর্বের সময়ে ফিরতে পারে না। আর শৈশবও হয়ত হারিয়ে যায় কালের গর্ভে, কারন সব প্রজন্মের শৈশব এক হয় না। এখনো ভাবি গ্রামে বর্ষার টইটুম্বুর পানিতে কলা গাছের ভেলায় চড়িয়ে কাটানো শৈশবের আনন্দ এখনকার সময়ের শৈশব হয়ত পুকুরের পানিতে ডুবে উপভোগ করার চেষ্টা করে।
 
জীবনবোধটি আসলেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি জিনিস।
 
সবার জীবন সাজানো গুছানো হোক, জীবনের জট কাটিয়ে জীবন টা সবার সহজ সরল হোক, এই কামনা করি।

বাণী

“সংক্ষিপ্ত এই জীবনে কোথাও স্থায়ী থাকার সুযোগ নেই, কারন আমাদের মৃত্যু অবধারিত। সুতরাং কোথায় আছি এটির চেয়ে কেমন আছি তা খুব বেশি বিবেচ্য। এই বিবেচনা যদি আমরা উল্টো করে করি তাহলেই আমরা আমাদের শান্ত মনকে না পাওয়ার বেদনায় ভিজিয়ে দেই কৃত্রিম (মনুষ্য সৃষ্ট) অশ্রুতে।”

স্নো (তুষাঢ়) প্রেমিক এবং কাদা প্রেমিক

শৈশব কেটেছে গ্রামে, তাই গ্রাম আমার প্রানকে যেন উজ্জ্বিবীত করে তোলে। গ্রাম ছেড়ে শহরমূখী হতে হয়েছিলো যখন আমি ক্লাশ ফোরের ছাত্র। এরপর যখনই গ্রামে যেতাম গিয়ে প্রথমে আমাদের পুকুরপাড়ে যেতাম সেখানে দাড়িয়ে দিগন্ত বিস্তৃত সবুজ ধানক্ষেত দেখলে মনের মধ্যে অন্যরকম এক শান্তি বয়ে আসত। এরপরই দেখতাম আমার লাগানো গাছ গুলো কেমন আছে, গাছগুলোকে এখনো অনেক মিস করি, দেশে গেলে গ্রামে যাই শুধুমাত্র গাছগুলোকে দেখার জন্য। সবুজ গাছ আমার প্রয়ি আর বাংলার আকাশের নীল। যখন ছোট ছিলাম বর্ষায় গ্রামে মাছ ধরতে যেতাম কাদা মাখা ক্ষেতে। মাঝে মাঝে জমি কর্দমাক্ত করে হা-ডু-ডু খেলতাম তার আনন্দ বলে শেষ করা যাবেনা। সেই সময়ের আনন্দগুলো ছিলো অনেক প্রানবন্ত। আর শহুরে আনন্দ হলো ভুতুরে।

সেই প্রানের গ্রাম সোনার দেশ ছেড়ে বহুদুরে আললান্টিকের পাড়ে, বাল্টিকের তীড়ে পরে আছি বেশ ক বছর। বিদেশে আসা আমার কাছে বাড়তি কোন আনন্দ বয়ে আনেনি কখনও। কেনো জানি আমার কাছে এটি বিশেষ কোনো ব্যাপার মনে হয় না। কারন সংক্ষিপ্ত এই জীবনে কোথাও স্থায়ী থাকার সুযোগ নেই, কারন আমাদের মৃত্যু অবধারিত। সুতরাং কোথায় আছি এটির চেয়ে কেমন আছি তা খুব বেশি বিবেচ্য। এই বিবেচনা যদি আমরা উল্টো করে করি তাহলেই আমরা আমাদের শান্ত মনকে না পাওয়ার বদনায় ভিজিয়ে দেই।

বিদেশে আসার পর তুষাঢ় পড়া জিনিসটি নিয়ে মাঝে মাঝে মনেহয় একটু লিখবো। প্রায়ই দেখা যায় বিদেশে বসবাসরত বাংগালীরা তুষাঢ়কেই যেন জীবনের সবচেয়ে বড় বেশি পাওয়া মনে করে। স্নো পড়ার সাথে স্নোর সাথে নিজেদের বিভিন্ন আংগীকে ছবি মনেহয় স্নোর উপর হাটতে পারাতেই জীবনের চরম সার্থকতা। আসলে এগুলো মাঝে মাঝে আমাদের হীনমন্যতাই প্রকাশ করে। বিদেশে বসবাস করার সময় বিদেশের জিনিসগুলোকে আমরা যেভাবে গুরুত্বদিয়ে প্রকাশ করি অথচ তারচেয়ে কয়েক গুন সুন্দর জিনিস আমাদের বাংলাদেশের আনাচে কানাচে পড়ে থাকে। আমরা এগুলোতে নিজেদের সন্মান মনে করতে পারি না, আর একটি প্রধান কারন হলো আমরা নিজেদের সন্মান করতে শিখিনা। আমাদের মধ্যে আত্নশ্রদ্ধাবোধের চরম ঘাটতি। এরফলে আমাদের দেশের সুন্দর গ্রামগুলোর যে সৌন্দর্য্য সেগুলো বেশির ভাগ ক্ষেত্রে আমরা খুব বেশি বড় মনেকরি না। এর কারন হলো আমরা আমাদের যা আছে সেটিকে সন্মান করিনা। আর এটি করতে না পারা বা করতে না শেখার কারনেই আমরা অনেক সময় কারন ছাড়াই দুঃখী হয়ে যাই। আমারতো মনেহয় বাংলাদেশের মত সুন্দর এক দেশে জন্ম এর জন্যই সূখি হওয়া উচিত। বাংলাদেশে ধর্মীয় চরমপন্থা নেই, বোমাবাজী নেই, হিন্দু-মুসলমান বা ধর্মে ধর্মে মারামারি নেই গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষগুলো অল্পতে কিভাবে সুখী থাকা যায় তার জ্বলন্ত উদাহরন।

গ্রাম যখন মাঠভরে ধানক্ষেতে ভরে যায় তখন তার উপরে বাতাসের তরংগ অদ্ভূত সুন্দর এক পরিবেশের সৃষ্টি করে। পড়ন্ত বিকেলে সবুজ মাঠের উপর গ্রামীন ছেলেগুলোর খেলাধুলার মধ্যেও এক ধরনের প্রশান্তি। শেষ বিকেলে গ্রামমিন আকাসে বাড়ি ফেরা পাখীদের ঝাক আর কলরব এক স্বর্গীয় পরিবেশের তৈরী করে। আমরা অবশ্য এগুলো ভূলতে বসেছি এক অজানা চাওয়ার কারনে, আমরা ভাবি দেশান্তরী হলেই শান্তি অবশ্য কারনো আছে কারন মানুষ, সমাজ যখন অর্থকে বেশি বেশি সন্মান দেয়া শুরু করে, সমাজে যখন সন্মানের জায়গায় প্রভাব-প্রতিপত্তির বিস্তার ও প্রতিযোগিতা শুরু হয় তখন মানুষের মধ্যে টাকাওয়ালা হওয়ার বাসনা মানুষের মনের সৌন্দর্য্য কে নষ্ট করে দেয় ফলে মানসিক সৌন্দর্য্যহীন এক গ্রামীন সমাজ গড়ে উঠে। ফলে হারিয়ে যায় গ্রামীন সমাজের মূল ভিত্তি ভ্রাতৃত্ববোধ।

আমাদের গ্রামকে নিয়ে কাজ করতে হবে, বাংলাদেশের সমাজের মূল ভিত্তি যে গ্রামীন ট্রাডিশন সেগুলোকে ফিরিয়ে আনতে হবে, তাহলে বাংলাদেশের মানুষের যে ঐতিহ্যগত গ্রাম সেটি ফিরে আসবে। হয়ত আবার কোন কবি কবিতা লিখবে “ছায়া সুনিবিড় শান্তির নীড় ছোট ছোট গ্রামগুলি”।

গ্রামীন সমাজের সৌন্দয্য ফিরিয়ে আনতে হলে, আইনের শাসনের পাশাপাশি গ্রামীন সমাজে বিনিয়োগের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে হবে। গ্রামীন স্কুল কলেজগুলোতে গ্রামীন ট্রাডিশনগুলোর উপর আলোচনা, সংষ্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে সেই বোধগুলোকে ফিরিয়ে আনার বা ধরে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। তাহলেই মানুষ একটুখানি শান্তি স্বস্তির জন্য গ্রামকেই বেছে নিবে।

তিন তরুনের পায়ে পুলিশের গুলি আমার প্রতিক্রিয়া

তোমরা পারো না তাইলে রাজনীতি নিষিদ্ধ করে দাও। কিন্তু দেশের সম্ভাবনাময় তরুনদের পংগু করে তো জাতির ভবিষ্যতকেই পংগু করে দিচ্ছো। জাতির বিবেক এখন ফেরারী আসামী। কার্তুজে ভরা বন্দুকের নল প্রতিপক্ষ দলের তরুনের পায়ের গোড়ালী নয়ত বা পাজরের দিকে আজ হায়েনার হিংস্র দৃষ্টিতে তাকিয়ে….

অনেকদিন আগে একটি নাটক দেখেছিলাম। শান্ত স্বভাবের এক তরুনের জীবন নিয়ে ছোট একটি সিকুয়েন্স ছিলো। তরুনটি ছিলো অনেক শান্ত স্বভাবের কারো সাথে উচ্চস্বরে কথা বলতো না। কেউ তাকে খারাপ কথা বললেও এড়িয়ে চলত। হঠাৎ তরুনটির হাতে আগ্নেয়াস্ত্র চলে আসে। অস্ত্র হাতে আসার সাথে সাথে শান্ত তরুনটির মেজাজ কেমন জানি বদলে গেলো। সামান্য ব্যাপারে তার রাগ, ক্রোধ প্রকাশ পেতে থাকলো। কথায় কথায় সেই আগ্নেয়াস্ত্রের গরম তার আচরনে প্রকাশ পেতে থাকলো এভাবেই একদিন সে অপরাধী হিসেবে নিজেকে তুলে ধরলো।

পুলিশের হাতে অস্ত্র থাকার কারনে তাদের বেশি দ্বায়িত্বশীল হওয়া উচিত। তাদের পর্যাপ্ত ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা রাখা উচিত, যাতে করে নিজেদের রাগ-ক্রোধকে দমন করার যোগ্যতা অর্জন করতে পারে। তাদের উপর যে দ্বায়িত্ব তার গুরুত্বও অনেক বেশি। তাই অস্ত্রধারী এসব বাহিনীর মানুষদের বেশি বেশি মনুষ্যত্ববোধের ট্রেনিং থাকা উচিত।

সুইডেন পুলিশদের দেখলে মনেহয় মাটির মানুষ। বিশেষ করে কোথাও কোনো ইয়াং ছেলে বেয়াদবি করলে, বা ট্রেনে কেউ কাউকে ডিসটার্ব করলে পুলিশের আচরন গুলো দেখলে মনেহয় ইশ! বাংলাদেশের পুলিশ গুলো যদি এমন হতো? সুইডিশ পুলিশদেরকে কারো গায়ে হাত দিতে ও দেখিনি। কেউ বেয়াদবি করলে পুলিশ কত সময় নিয়ে যে বোঝায় দেখলেই ভালো লাগে। পুলিশদের মধ্যে ধৈর্য্য, সহনশীলতা চোখে পড়ার মত। পুলিশের এমনই হওয়া উচিত। এখানে পুলিশ হয় মানুষের সেবা করতে, বাংলাদেশে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পুলিশ হয়, টাকা আর ক্ষমতার জন্য (যদিও পুলিশদের অনেক কষ্ট করতে হয়), এই জন্যই পুলিশের জবের উদ্দেশ্যকে সার্ভ না করে নিজেদের খায়েস পুরুনে সদা ব্যস্ত থাকে বেশির ভাগ পুলিশ। এটিও হয় সমাজের দৃষ্টিভংগির কারনে। বাংলাদেশে টাকা না জমালে, ক্ষমতা না থাকলে জীবনকে সিকিউর মনেকরা হয় না। অথচ দৃষ্টিভংগির একটু পরিবর্তন ঘটালেই জীবনের নিরাপত্তাবোধের যে ধারনা সেটিরও পরিবর্তন হতে পারে।

পুলিশের জব যে একটি দ্বায়িত্বপূর্ণ জব, এটাতে যেমন অনেক কষ্ট আছে, অনেক ক্ষমতাও আছে। একটু ইচ্ছে করলেই মানুষের অধিকার রক্ষা করায় যেমন সহজেই ঠিক তেমনি অধিকার হরন করাও যায় মূহুর্তেই। তাই মানুষ হিসেবে পুলিশের বেশি সচেতন হওয়া উচিত। পাশাপাশি সমাজের সব মানুষদেরও পুলিশকে সহযোগিতা ও সন্মান করা উচিত যাতে করে পুলিশরা কষ্টের পর নিজেদের ছোট না ভাবতে পারে। বাংলাদেশ সরকার পুলিশদের পর্যাপ্ত ট্রেনিংয়ের পাশাপাশি অফিসারদের বেতন বাড়িয়ে দিয়ে বিশেষ সুবিধা দিতে পারে (যদিও এটি চিন্তা করা বাহুল্য) যাতে করে পুলিশরা অর্থের দিকে, রাজনৈতিক ভাবে ব্যবহৃত হওয়া থেকে নিজেদের দ্বায়িত্ববোধ বাচিয়ে রাখতে পারে।

মানুষের ভিতর ভয়ানক একধরনের অস্ত্র আছে সেটি হলো পাশবিকতা। এই পাশবিকতাকে মানুষ নিয়ন্ত্রনে রাখে তার বিবেক নামক ভালোর প্রভাব দিয়ে। সমাজে যখন ন্যায় প্রতিষ্ঠিত থাকে তখন এসব ভালো মানুষের বিবেক তার পাশবিকতাকে নিয়ন্ত্রন করে ধৈর্য আর ক্ষমার মাধ্যমে। তবে সমাজে যখন বিশৃংখলা দেখা দেয়, যখন অন্যায়ের রাজত্ব কায়েম হতে থাকে, অন্যায় ভাবে যখন মানুষের বিবেককে আঘাতের পর আঘাত করে ছিন্ন ভিন্ন করে দেয়া হয়, তখন বিবেক হেরে যায় পাশবিকতার কাছে তখন মানুষ হিংস্র হয়ে উঠে প্রতিশোধের আগুনে। মানুষের যখন বেচে থাকা মৃত্যুর সমান হয়ে যায় তখন মানুষের মধ্যে “সারভাইভাল অফ দ্যা ফিটেস্ট নামক থিওরি” কাজ করে মানুষ সুস্থ্যভাবে বেচে থাকার এক অদম্য লড়াইয়ে নিজেকে সামীল করে আর তখন বন্দুকের নলের গুলি বের হওয়ার আগেই হয়ত নিরিহ মানুষগুলো হায়েনার মত নিজেদের রূপ দেখাতে শুরু করে বিবেক তখন চেয়ে চেয়ে দেখে পশুত্বের কাছে মানবিকতার পরাজয়কে আর শয়তান তখন দুরে দাড়িয়ে হাসে…..

আশাকরি সুদিন ফিরে আসবে, তরুন না নিশ্চিন্তে নিজেদের মত করে বাচার অধিকার ফিরে পারে…

বিলুপ্তির পথে বিয়ে

বৈশ্বয়িক উন্নতির সাথে সাথে বদলে যাচ্ছে সমাজের প্রথাগুলোর, সমাজের প্রতিষ্ঠান গুলোর। বিয়ে নামক যে প্রথার মাধ্যমে সুন্দর পরিবার তৈরী হয়, সেই বিয়ের অস্তিত্ব আজ হুমকির মুখে। সমাজের ট্রাডিশনগুলোর পরিবর্তন কত দ্রুত হচ্ছে। কোন কোন দেশে ৫৫-৭৫ ভাগ বাচ্চার জন্ম হচ্ছে বিয়ে ছাড়াই। ব্রাজিলের ৩টি বাচ্চার মধ্যে দুটিই হচ্ছে বিয়ে ছাড়া। ভাবছেন এর বাতাস বাংলাদেশে লাগবেনা?? চিন্তার বিষয় বটে! বিয়ের মাধ্যমে যে পরিবার তৈরী হয় সেই পরিবারে যে বাচ্চাগুলো বড় হয় সেই বাচ্চাগুলো মানসিকতার ধরন হয়ত বিয়ের বহির্ভূত জন্ম নেওয়া বাচ্চাগুলোর মানসিকতা থেকে আলাদা। অর্থনৈতিক ভাবে উন্নত দেশগুলোতে বিয়ে ধীরে ধীরে জাদুঘরে স্থান করে নিচ্ছে।

20160116_IRC052.png

খুবই শংকার বিষয় হলো ইদানিং বাংলাদেশে তালাকের হার আশংকাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৩ সালে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনে ডিভোর্স পিটিশনের সংখ্যা ছিলো ৮,১৯১ টি, যা পূর্বের বছরগুলোর তুলনায় বেশি ৭,৬৫৩ টি ছিলো ২০১২ সালে এবং ২০১১ সালে ছিলো ৬৭৭৬ টি এখানে ক্লিক করুন…। তালাকের হার যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে আমার কাছে মনেহয় সমাজে একধরনের অসহিষ্ণু মানসিকতা কাজ করছে। হয়ত এটি হচ্ছে সমাজ পরিবর্তনের যে ট্রানজিশন পিরিয়ড সেটির কারনে। হয়ত এই পরিবর্তন যে কোন একদিকে হয়ে যাবে। তালাকের হার বৃদ্ধি ধর্মভিত্তিক সমাজের জন্য এই জন্যই আশংকার যে এতে করে সমাজের উপর এক ধরনের চাপ তৈরী হয়, ফলে অন্যায় অব্যবস্থাপনার পথ প্রশস্ত হয়। পরিবারের প্রতি মানুষের একধরনের ঘৃণা তৈরী হয়। আর এই ঘৃণা থেকে মানুষ বৈবাহিক জীবনের চেয়ে বিয়ে না করেও এক সংগে থাকার পথ বেচে নেই, যাতে করে ঝামেলা হলে আলাদা হওয়া যায়।

ইদানিং অনেক প্রাকটিসিং মুসলিমের মধ্যেও এই তালাকের প্রবনতা আছে।
https://purematrimony.com/ এই সাইটটি মুসলিমদের বিয়ের জন্য প্রাকটিসকিং মুসলিম/মুসলিমাহ খুজতে অনেক ভালো ভূমিকা রাখছে। আমি নিজেও কিছুদিন সাইটটি ব্যবহার করেছি। মজার ব্যাপার হলো অনেক ইয়ং মুসলিমাহ আছে যারা তালাক প্রাপ্তা। বিষয়টি নিয়ে আমি ভেবেছিলাম যে কেনো এত অল্প বয়সে তালাকের ঘটনা ঘটছে। আমার কাছে মনেহয় নিজে নিজে ইসলাম শেখার কারনে, ইসলামকে কনটেক্সট বুঝে প্র‍্যাকটিক্যালী না শেখার কারনে। কিছু শিখেও মনের মধ্যে এক ধরনের ধারনা তৈরী করে অসহিষ্ণু মনোভাব তৈরী করে ফলে হঠাত করে অনেক পরিবর্তন কামনা করে যা পরিবারে সমস্যা তৈরী করে ফলস্বরূপ বিচ্ছেদ। এগুলো নিয়ে মুসলিম সমাজে আলোচনা হওয়া দরকার। আমার কাছে মনেহয় বাংলাদেশের মত দেশে উন্নত বিশ্বের মত পরিসংখ্যান তৈরী হওয়ার আগেই শুধুমাত্র রাজনীতির পেছনে না ছুটে সমাজের এই সমস্যা গুলো নিয়ে কাজ করা উচিত। সমাজে যদি সমস্যা থেকে যায় তাহলে রাজনীতির পেছনে সময় নষ্ট করে লাভ কি হবে? রাজনীতির চেয়ে সমাজের এসব সমস্যা নিয়ে কাজ করা উচিত।

20160116_IRC960

বিবেচনায় নেয়ার ব্যাপার হলো, বাংলাদেশে প্রাকটিসিং মুসলিমদের মধ্যেও তালাকের হার বেড়ে যাচ্ছে। এই বিষয়টির উপর খুব গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা উচিত যাতে করে এটি সমাজে মহামারী আকার ধারন না করে।

ইসলামি রাজনৈতিক দুলগুলো সমাজের এরকম সমস্যা ভিত্তিক কিছু প্রজেক্ট হাতে নিতে পারে। কিছু মানুষকে এগুলোর জন্য কাজ করার জন্য ডেডিকেটেড ভাবে নিয়োগ করতে পারে। তাহলে সমাজের কাছে কাজগুলো প্রসংশিত ও হবে আবার কিছু সমস্যা দুর হবে, সমাজের কাঠামো ঠিক থাকবে, প্রথাগুলো বেচে থাকবে। যা একটি জাতির পরিচয়কে বাচিয়ে রাখতে সাহায্য করবে।

চার্ট দুটির উৎস, দ্যা ইকোনমিষ্ট

আরো কিছু পরিসংখ্যান নিচে দেয়া হলো।

Marital History of U.S. Men from 1940-2012

marital-history-of-men-by-birth-cohorts-2008-2012

যারা জীবনে কখনই বিয়ে করেনি তাদের সংখ্যার হার ১৯৭০-৭৯ সালের মধ্যে দ্রুতই বৃদ্ধি পেয়েছে এই সংখ্যা হয়ত এখন আরো বেশি।