আগামীর প্রত্যাশা হানাহানি মুক্ত ধরিত্রী

যখন অনেক ছোট ছিলাম কোথাও একটু গন্ডগোল বাঁধলে ছুটে যেতাম দেখার জন্য। ছোট বেলায় গ্রামেই ছিলাম। গ্রামে সাধারনত বড় ধরনের ঝগড়া হত না। পরিসর যত বড় হতে থাকলো মানুষে মানুষে মারামারি দেখার অভিজ্ঞতা তত বেশি হতে লাগল। গ্রাম থেকে যখন শহরে গেলাম। দেখতাম মাঝে মধ্যেই মহল্লার ছেলেদের সাথে পাশের মহল্লার ছেলেদের মারামারি। যদিও পরবর্তিতে সেটি অনেক কমে গিয়েছিলো। সেটি কমে গিয়ে সেখানে এখন স্থান নিয়েছে রাজনৈতিক বিষয় গুলো। মাঝে মধ্যেই ভাবতাম বড় শহর গুলোর মানুষ মনেহয় একটু বেশি সভ্য ঝগড়াঝাটি কম। সেসময়ে নিজ মহল্লা ছাড়া বাইরের জগত নিয়ে মাথা ঘামানোর মত বুদ্ধি হয়ত হয়নি। স্কুল কলেজের জীবন শেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের আংগিনায় পা দিলাম। ২০০১ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারী জীবনের সবচেয়ে বড় ধরনের মারামারি দেখার মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের যাত্রা শুরু করেছিলাম। শিক্ষিত মানুষের উন্মত্ততা, ধ্বংসলীলা, লুট ও অগ্নিসংযোগ নিজের চোখের সামনে দেখেছিলাম।
জীবনের পরিসর যত বড় হতে লাগল মানুষে মানুষে হানাহানি দেখার অভিজ্ঞতা তত বৃদ্ধি পেতে থাকল। বিদেশে এসে সংগ্রামমূখর ব্যস্ত জীবনে যখনই ল্যাপটপ ওপেন করে সোস্যাল মিডিয়ার পেইজগুলোতে ঢুকি তখনই বিভৎসতা গুলো চোখের সামনে ভেসে উঠে। সামান্য কারনে, শুধুমাত্র রাজনৈতিক ও জাতিগত ভিন্নতার কারনে মানুষ কত হিংস্র হয়ে উঠতে পারে তা আগে কখনো হয়ত কল্পনাও করতে পারিনি।
ভাবতাম অতীতের সময় গুলো হয়ত ভালো ছিলো। কিন্তু ইতিহাস বলে নিকট অতীত ও দুর-অতীতেও মানুষে মানুষে হানাহানি ছিলো। মানুষে মানুষে হানাহানি গুলো বার বার যখন চোখের সামনে আসে তখন মানুষ হিসেবে নিজের অবস্থান নিয়ে নিজের কাছে প্রশ্ন তৈরি হয়।

একজন মানুষ সাংঘাতিক রকমের অস্ত্র নিজের মধ্যে ধারন করে চলেছে যুগ যুগান্তর। মানুষ নিজেই এক একটি এটম বোম। মানুষের হাত-পা ই এক একটি সাংঘাতিক রকমের অস্ত্র।

এই অস্ত্রগুলোর সঠিক ব্যবহার কিভাবে নিশ্চিত করা যায় তার জন্যই যুগে যুগে সৃষ্টিকর্তা প্রেরিত উত্তম চরিত্রে কিছু মানুষ যাদেরকে সৃষ্টিকর্তা নিজের প্রতিনিধি করে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু মানুষ ধর্মের আহ্বানে সাড়া দিয়েছে খুব কমই। ধর্মের সোনালী দিন গুলো ব্যতীত বেশির ভাগ সময়েই মানুষে মানুষে হানাহানি ছিলো ই। মানুষের এ্যানিম্যাল অংশটির চর্চা ছিলো ই। এর কারনে সৃষ্টির শুরু থেকে আজ অবধি ভাল-মন্দের দ্বন্দ্ব চলছেই….. হয়ত চলবেই….. এক প্রজন্ম থেকে আর এক প্রজন্ম….

মাঝে মাঝেই বিজ্ঞানের কিছু বিষয়কে অবিশ্বাস্য বলে মনেহয়। সময়ের সাথে সাথে বিজ্ঞানের কিছু বিষয় যেমন ভূল প্রমানিত হয় আবার তেমনি ধর্মের সাথে কিছু বিষয়ের ঐক্যমতও সৃষ্টহয়। সত্য ধর্মের বিষয় গুলো চিরন্তন সত্য।

অ্যামেরিকান একটি এ্যানিমেশন ম্যুভি জুটোপিয়া। টিভি দেখার সময় খুব একটা হয় না। বউয়ের সাথে বসে একটু দেখার সুযোগ হয়েছিলো। যতটুকু দেখেছিলাম সেখানে দেখলাম অনেক ম্যামাল কে বিভিন্ন চরিত্রে দেখানো হয়েছে। মহিষ, বাঘ, সিংহ, শিয়াল, খরগোস সবাই একসাথে বিভিন্ন রকম কাজ করছে। কারো সাথে কারো গন্ডগোল নেই, হঠাৎ কিছু ম্যামাল হারিয়ে যায়। এদের খুজতে বের করার দ্বায়িত্ব পড়ে খরগোশের উপর। খরগোশ একদিন ব্রীফ করে যে প্রানীর হিংস্রতা একটি বায়োলজিক্যাল ব্যাপার। পড়ে তদন্তে খরগোশ আর শিয়াল মিলে বের করে যে আসলে একটি অসাধু চক্র এক ধরনের ফুলের নির্যাস গোপনে অন্য প্রানীর শরীরে ইনজেক্ট করার কারনে প্রানী গুলো হিংস্র হয়ে উঠছে। হতে পারে খাদ্যাভ্যস প্রানীর হিংস্রতা সৃষ্টির জন্য কিছুটা দ্বায়ী। যদিও নিরামিষভোজী (?)/উদ্ভিদভোজী মানুষ গুলো নিরীহ হতে পারেনি। হয়ত এটি একটি গবেষনার বিষয় হতে পারে।

জীন এডিটিং নিয়ে মানুষের গবেষনা এগিয়ে চলেছে। বিভিন্ন রোগ নিরাময়ের জন্য জীনকে টার্গেট করে গবেষনা এখন অনেক গুরু্ত্বপূর্ণ একটি বিষয়। রোগের জন্য জীন গবেষনার পাশাপাশি কিছু গবেষক হয়ত অন্য রকম কিছু গবেষনাও চালিয়ে যাচ্ছে। ক্রমবর্ধমান মনুষ্য সৃষ্ট মানবিক বিপর্যয় গুলোর কারনে যদি জীনের পরিবর্তন ঘটিয়ে মানুষের খারাপ আচরন গুলোর নিয়ন্ত্রন সম্ভব হতো বা মানুষের স্বভাবগত বৈশিষ্ট্য গুলোর আংশিক পরিবর্তন করে সভ্য সমাজ বিনির্মান করানো যেত এরকম চিন্তা হয়ত অনেক আগেই শুরু হয়েছে, হলে কি খারাপ হবে?? যদিও কতটুকু সম্ভব সময়েই তার উত্তর পাওয়া যাবে।

ধর্ম ও বিজ্ঞান দুটো ই তো সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টি। ধর্ম ও বিজ্ঞান নিয়ে দ্বন্দ্বের ক্ষেত্রে মিমাংসার জন্য অনেক স্কলার রা আছেন।

কিন্তু আমরা স্বপ্ন দেখতেই পারি মানুষে মানুষে হানাহানিবিহীন সুন্দর এক সমাজ। যেখানে চোখ খুললেই মানুষের বিভিৎস লাশ দেখতে হবে না, যেখানে কান পাতলেই মানুষের মর্মান্তিক আত্নচিৎকার ভেসে আসবে না। শুধুই থাকবে ভালোবাসাপূর্ণ শান্তিময় সুন্দর এক পৃথিবী।

….নয়ত সব যুগে এভাবেই হয়ত স্বপ্নরা ঘুরে ফিরে চলে যায় ফেরার দেশে…এভাবেই হয়ত চলবে নিরন্তর….অতপর সমাপ্তি… সবকিছুর।

তারপরও আসুন না আমরা নিজের অবস্থান থেকে একটু মানবিক হওয়ার চেষ্টা করি। নিজেদের মতভেদের জায়গা গুলো থেকে বের হয়ে মতৈক্যর জায়গায় একসাথে গিয়ে যাই……

Gotland Tour- গোটল্যান্ড ট্যুরঃ ফটোগ্রাফী

Gotland tour 041

Sunrise on Baltic Sea, On the way to Gotland, Sweden

Gotland tour 060

Sunrise on Baltic Sea, On the way to Gotland, Sweden

Gotland tour 005

Sunrise on Baltic Sea, On the way to Gotland, Sweden

Gotland tour 090

Hållarna, Visby, Gotland, Nice place for camping

Gotland tour 089

Södra Hållarna, Visby, Gotland

Gotland tour 847

Visby, Gotland

Gotland tour 826

Visby, Gotland

Gotland tour 818

S:t Catherine Church, Visby, Gotland

Gotland tour 816

S:t Catherine Church, Visby, Gotland

Gotland tour 789

Flowers, Visby, Gotland

Gotland tour 783

Rose

Gotland tour 778

Snäcks, Visby, Gotland

Gotland tour 719

Gotland

Gotland tour 718

Gotland

Gotland tour 240Gotland tour 238Gotland tour 125Gotland tour 117Gotland tour 116Gotland tour 112Gotland tour 090

https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js?client=ca-pub-5273376282874147

আত্নীয়-স্বজনের সাথে সম্পর্ক, সামার ক্যাম্প ২০১৭

এবার সামার ক্যাম্পের থিম ছিলো
“Improve connectivity with family and community”
খুব বেশি লেকচার ছিলো না। তবে যে দু- একটি ছিলো তার মধ্যে ছিলো অনেক শিক্ষনীয় কিছু। মাহবুবুল আলম ভাইয়ের লেকচার ছিলো “Lesson from muhammad (sm) on connecting with family and society”
এখানে তিনি সুন্দরভাবে পরিবার ও কম্যুনিটির সাথে আমাদের সম্পর্ক কেমন হবে সেটি কুরআন এবং হাদিসের আলোকে ব্যাখ্যা করেছিলেন। কিছু উদাহরন কিছু কথা ছিলো সত্যিই অনেক সুন্দর।

আমরা জানি শেষ বিচারের দিন আল্লাহর রাব্বুল আলামিনের সামনে আমাদের সব কাজের হিসেব দেয়া লাগবে। উনি হবেন বিচারক। তবে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কিছু বিষয় আগেই ফয়সালা করে দিয়েছেন। তো মাহবুব ভাই একটি সুন্দর হাদিস বলেছিলেন

“রাসুল (সাঃ) বলেন, আল্লাহ তা´য়ালা যখন সমস্ত সৃষ্টিজগতকে সৃষ্টি করলেন, তখন ´রেহেম (আত্নীয়তা)` উঠে দাঁড়ালো/উঠে দাড়িয়ে আল্লাহর কোমড় ধরল। আল্লাহ তা´য়ালা বললেন তুমি কি চাও? সে বলল, এটি হলো আত্নীয়তার ছিন্নকারী হতে তোমার কাছে আশ্রয় প্রার্থনার স্থান! তিনি বললেন, তুমি কি এতে সন্তুষ্ট নও যে, যে তোমার সাথে সম্পর্ক রাখবে আমি তার সাথে সম্পর্ক বজায় রাখবো। যে তোমাকে ছিন্ন করবে, আমিও তাকে ছিন্ন করব।? রেহেম বললো জ্বী, হ্যা প্রভু! তিনি বললেন এটি তো তোমারই জন্য।

রাসুল (সাঃ) আরো বললেন, “আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, আমিই রহমান (দয়ালু), আমার নাম (রহমান) থেকেই `রাহেম` (আত্নীয়তার বন্ধন)- এর নাম নির্গত করেছি। সুতরাং যে আত্নীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখবে আমি তার সাথে বজায় রাখব এবং যে তা ছিন্ন করবে আমি আমা হতে তাকে ছিন্ন করব। ” আল- আদাবুল মুফরাদ, হাদীস/৫৩

আল্লাহ রাব্বুল আলামিন পবিত্র কুরআন পাকে বলেছেন, “ক্ষমতা লাভ করলে, সম্ভবতঃ তোমরা পৃথিবীতে অনর্থ সৃষ্টি করবে এবং আত্নীয়তা বন্ধন ছিন্ন করবে। এদের প্রতিই আল্লাহ অভিসম্পাত করেন, অতঃপর তাদেরকে বধির ও দৃষ্টিশক্তিহীন করেন। ” সূরা মুহাম্মাদঃ ২২

কাল কিয়ামতের দিন যখন আল্লাহ বিচার নেয়া শুরু করলে কেউই রেহাই পাবেনা । যেদিন আল্লাহর আরশের ছায়া ছাড়া কিছু থাকবে না, সেদিন যদি আল্লাহ কাউকে লানত দেয় তাহলে তার কোন রক্ষা পাওয়া সম্ভব নয়।

অপর এক হাদিসে আছে কোন এক সাহাবা রাসূল (সাঃ) কে জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসুল! যদি আমি আত্নীয়তার সম্পর্ক রক্ষার ব্যাপারে সচেষ্ট থাকি এবং যদি সেই আত্নীয় আমার প্রতি খারাপ আচরন করে তাহলে, তখন রাসুল (সাঃ) বললেন, তুমি যদি তার প্রতি ভালো আচরন করো এবং সে তোমার প্রতি খারাপ আচরন করে তাহলে এটি এমন যে, তুমি তার মূখে ছাই নিক্ষেপ করছো।
অর্থাৎ সে নিজে বেঁচে যাবে কিন্তু ঐ ব্যাক্তির উপর আল্লাহর লানত পড়বে।

মাহবুব ভাই খুব সুন্দর একটি উদাহরন দিয়েছিলেন।
কিয়ামতের সময় আসলে কি ঘটবে? পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে সব উলট পালট হয়ে যাবে। নক্ষত্র গুলো স্থানচ্যুত হয়ে ছুটোছুটি করবে। পাহাড় গুলো তুলার মত উড়বে।

উনি প্রশ্ন করেছিলেন, আত্নীয়তার সম্পর্কের ব্যাপারে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন এতো কঠোর নির্দেশ কেন দিলেন? বা সম্পর্ক জিনিসটি এত গুরুত্বপূর্ণ কেন?

গ্যালাক্সিতে গ্রহ, তারকারাজী এবং নানা পদার্থের মধ্যে একটি সম্পর্ক বিদ্যমান। এই সুন্দর সম্পর্কের কারনে যে যার কক্ষপথে একটি সুনির্দিষ্ট গতিতে আবর্তিত হচ্ছে। কাল কিয়ামতের দিনে আল্লাহ শুধু এদের মধ্যে যে সম্পর্ক বিদ্যমান সেটি নষ্ট করে দিবেন ফলে সম্পর্কহীন হয়ে ছন্দ হারিয়ে ছুটো-ছুটি শুরু করে দিবে। একে অপরের সাথে সংঘর্ষে সব ধ্বংস হয়ে যাবে। কিয়ামত সংঘটিত হবে।

আত্নীয় এবং প্রতিবেশিদের সাথে সম্পর্ক গুলো ও এমন। যদি সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যায় তাহলে সেখানে শান্তি থাকেনা। যদি সম্পর্ক খুব বেশি খারাপ হয়ে যায় তাহলে সেই জায়গায় ক্ষুদ্র পরিসরে হলেও সব কিছু তছনচ হয়ে যায়। এজন্য আত্নীয়তার সম্পর্ক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পরিবার যেখানে একটি ইউনিট সেখানে পরিবার দূর্বল হলে সেই সমাজই দূর্বল হয়ে পড়ে। শক্তিশালী শান্তিময় পরিবার গঠন ইসলামের অন্যতম মূল বিষয়। পরিবার শক্তিশালী হলে, সেই পরিবার নিয়ে গঠিত সমাজ তথা রাস্ট্র ও শক্তিশালী হয় ও শান্তিময় হয়। ইসলাম যেখানে শান্তির বানী শোনায় সেখানে পরিবার শান্তিময় হলে গোটা দুনিয়ায় তার প্রভাব ছড়িয়ে পড়তে বাধ্য।

রাসুল (সাঃ) তার মৃত্যু শয্যায় উম্মতকে সাবধান করে বলেছেন, “তোমাদের আত্নীয় স্বজন, তোমার আত্নীয়-স্বজন (সম্পর্কে সাবধান হও)” ছহীহ জামে´ হা/৮৯৪, সনদ সহীহ।

আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আত্নীয়-স্বজনের সম্পর্কের ব্যাপারে আমাদের যত্নশীল হওয়ার তাওফিক দান করুন। (আমীন)

https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js?client=ca-pub-5273376282874147

সামার ক্যাম্প ২০১৭ হতে কিছু শিক্ষা (SMS Sweden)

আমরা প্রতিবারই সামার ক্যাম্পে যাই। প্রতি সামার ক্যাম্পে নতুন গেষ্ট স্পিকার আসেন, প্রতিবারই আমরা নতুন কিছু শিখি। এবার এসেছিলেন, আব্দুল্লাহিল মামুন আযামী ভাই। ৬৪ বছর বয়স্ক একজন মানুষ। উনার বাচন ভংগি এবং উপস্থাপন ভংগি শ্রোতাদের আকৃষ্ট করার মত। নিজে রিসার্চ করে অনেক বড় বিষয়কে ৩-৪ টি letter এর মাধ্যমে প্রকাশ করার সুন্দর পদ্ধতি আমাদের সাথে শেয়ার করেছিলেন তার দু- একটি এখানে শেয়ার করছি। উনি এক লেকচারে বলেছিলেন
RRR এর কথা
Read-Reflect-Reform
এই জিনিসটি আমার কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে। আমরা এটি একাডেমিক ক্ষেত্রে ফলো করলেও নৈতিক ও ধর্মীয় ক্ষেত্রে খুবই কমই করতে পারি। আমরা অনেকেই পড়ি এরমধ্যে খুবই কমজনই সেটি নিয়ে ভাবার/চিন্তার কাজটি করতে পারি। চিন্তা করার পর সে অনুযায়ী নিজেদের অভ্যসকে, নিজেদের attitude কে নিজেদের নৈতিক মানকে পূনর্বিন্যাস ও পুনর্গঠনের কাজটি একদমই করতে পারিনা। এই কাজটিই আমাদের করা লাগবে তাহলে একজন আদর্শ মানুষ তথা একজন আদর্শ মুসলিম হিসেবে নিজেদের কে উপস্থাপন করা আমাদের জন্য সহজ হবে।

HHH
Head-Heart-Hand
Head to heard/think, heart to feel/accept and hand to work
আমাদের ব্রেইনকে কাজে লাগিয়ে আমাদের চিন্তা করতে হবে। কুরআনে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন অনেকবার বলেছেন, চিন্তা করার কথা। কুরআন মু্মিনদের জন্য হেদায়াত স্বরূপ। কুরআনের মাঝেই লুকিয়ে আছে আমাদের ইহকালীন ও পরকালীন মুক্তির পথ। চিন্তা করে বিষয় গুলোকে হৃদয় দিয়ে অনুভব করে সে অনুযায়ী কাজ করতে পারলে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন আমাদের জন্য সহজ হবে।
একদিন এক ভাই বলছিলেন সূরা ওয়াক্বিয়া নিয়ে। আমরা অনেকেই জানি সূরা ওয়াক্বিয়ার ফজিলত। সূরা ওয়াক্বিয়া পড়লে অভাব দুর হয়ে যাবে। আমরা অভাব দুর হওয়ার জন্য, বাচ্চা পাওয়ার জন্য এবং রোগ হতে মুক্তির জন্য অনেক সূরাই নিয়মিত পড়ি। কিন্তু সূরার ভিতরে আল্লাহ যে বার্তা যে সূত্রগুলো আমাদের দিলেন সেগুলো নিজেদের জীবনে প্রাকটিস করি না, আমল করিনা ফলে আমরা সেগুলো হতে ফল সহজে পাই না। হয়ত অনেকেই আল্লাহকে দোষ দেই যে কপালে রাখেনি। এগুলো নিয়মিত পড়ার পরও আমাদের হৃদয়ে যে প্রশান্তি আসার কথা সেটি আসেনা শুধুমাত্র বিষয় গুলোকে অনুভব করতে না পারার কারনে।

QQQ
Quran-Quality-Quantity
Quran
Quality for high standard
Quantity for great result
Quran কে বেইস ধরে আমাদের কোয়ালিটি ডেভেলপ করতে হবে।

T-W-A-H-C-D
Thought-Words-Action-Habit-Character-Destiny
মামুন ভাই এই শব্দগুলো বলেছিলেন সূরা লুকমানের ১৩-১৯ আয়াতের ব্যাখ্যায়।
আমাদের নৈতিক মানকে উন্নয়নের জন্য প্রথম যে কাজটি করা উচিত সেটি হলো। আমাদের চিন্তা করা উচিত কিভাবে আমরা আমাদের নৈতিক মানের পূনর্বিন্যাস করবো। চিন্তাকে আমাদের কথায় পরিনত করার চেষ্টা করতে হবে। এটি করতে পারলে সেটিকে আমাদের বাস্তবে রূপ দেয়ার জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে। কাজ শুরু করে দিতে হবে। আমরা যখন একটি কাজ বার বার করতে শিখবো তখন সেটি আমাদের অভ্যাসে পরিনত হবে। যদি আমরা কোন ভালো কাজকে অভ্যাসে পরিনত করতে পারি তাহলে সেটি আমাদের চরিত্রের একটি অংশ হয়ে জীবিত থাকবে আমাদের সাথেই। ভালো আমলকে আমরা আমাদের চরিত্রের অংশ করতে পারলে আমাদের যে লক্ষ্য সেটিও অর্জন হয়ে যাবে। ইনশাল্লাহ।
মামুন ভাইয়ের দুটি বাক্য-
Inspire to learn and grow
Advice what to learn and why
উনি এখানে আরো দুটি কথা বলেছিলেন, যে বাচ্চাদের প্রশ্ন করাকে উতসাহ দিতে হবে। অনেক বাবা-মা বাচ্চাদের প্রশ্নের উত্তর দিতে না পেরে ধমক মেরে চুপ করে দেয়, explain করতে না পারার অক্ষমতা থেকে বাচ্চাদের ধমক মারে। এটি করা ঠিক না। কারন বুদ্ধিমান বাচ্চারাই প্রশ্ন করে। তাদেরকে সুন্দরভাবে উপদেশ দিলে তারা সহজেই তা পালন করতে শিখবে।

উনি তাক্বওয়ার ব্যাখ্যা করতে গিয়ে একটি ছক দিয়েছিলেন
Do …………………………………………………………Don´t

1) ফরজ ………………………………………………হারাম
২) সুন্নাহ ……………………………………………মাকরূহ
৩) নফল ……………………………………………..মুতাশাবিহাত

কোন একটি কাজের/আমলের মানের চিন্তা করে সেটির Priority ঠিক করলে। আমাদের জন্য আমল করা অনেক সহজ হয়ে যাবে। উনি একটি সুন্দর উদাহরন দিয়েছিলেন,

তারাবিহ নামাজ ৮ রাকাত নাকি ২০ রাকাত এটি নিয়ে মানুষ অনেক সময় মারামারি শুরু করে দেয়। অথচ মানুষ চিন্তা করেনা মারামারির শরীয়াহ হুকুম কি আর তারাবিহ নামাজের শারীয়ায় হুকুম কি। অর্থাত যদি কোন একটি আমল সুন্নাহ হয় সেটির জন্য যদি হারাম কাজ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে তাহলে আগে আমাদের হারাম থেকে বাচা। এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি শিক্ষা।

পরিবারের সমস্যা/ঝগড়া বিবাদ মিটানোর জন্য 5D এর কথা বলেছিলেন
D-Describe
D-Diagnosis
D-Discuss
D-Decision
D-Do/action

পরিবারে সমস্যা হলে সেটি পারিবারিক মিটিংয়ে আলোচনা করে সমস্যাকে চিহ্নিত করে কিভাবে সেটি সমাধান করা যায় আলোচনা করে সিন্ধান্ত নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করলে পারিবারিক সমস্যার সমাধান হবে খুবই দ্রুত। যারা পারিবারিক মিটিংয়ের ব্যাপারে জানেন না। তারা প্রতি মাসে পরিবারের সব সদস্যদের নিয়ে মিটিং করতে পারেন। পরিবারের সব কিছু নিয়ে সবার মতামত, সবার সমস্যা আলোচনা করলে শক্তিশালী শান্তিময় পরিবার ব্যবস্থা গড়ে উঠবে। পরিবার যেখানে সমাজ তথা রাষ্ট্রের ক্ষুদ্র একটি ইউনিট সেখানে পরিবার শক্তিশালী হলে, ন্যায়ভিত্তিক পরিবার ব্যবস্থা গড়ে উঠলে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে সহজেই।

আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদের ভালো ভালো আমল করার তৌফিক দান করুন। (আমিন)

Uppsala linnaeus Garden-উপশালা লিনিয়াস গার্ডেনে একদিন

ক্যারোলাস লিনিয়াস দ্বিপদ নামকরনের জনকের নাম অনুসারে উপশালা এই বোটানিক্যাল গার্ডেনের নাম লিনিয়াস গার্ডেন। কারোলাস লিনিয়াস সুইডিশ বিজ্ঞানী ছিলেন।

Uppsala linnaeus Garden-উপশালা লিনিয়াস গার্ডেনে একদিন

লিনিয়াস গার্ডেন

IMG_4472

IMG_4471.JPG

উপশালা ক্যাসল

IMG_4494

IMG_4481.JPG

গার্ডেনে তোলা কিছু ফুল

IMG_4496IMG_4501IMG_4503IMG_4505IMG_4511IMG_4515IMG_4517IMG_4525IMG_4530IMG_4532IMG_4534IMG_4535IMG_4539IMG_4541IMG_4542IMG_4543IMG_4551IMG_4556IMG_4579IMG_4582IMG_4597IMG_4603IMG_4609IMG_4613IMG_4621

ইসলামিক বই

Crisis_in_the_Muslim_Mind

The Closing of the Muslim Mind

The-devils-deceptions-by-ibn-al-jawzi

Let_Us_Be_Muslims

To Be A Muslim

Way_to_the_quran

In-the-early-hours

Some content on this page was disabled on December 22, 2020 as a result of a DMCA takedown notice from Open Road Integrated Media. You can learn more about the DMCA here:

https://en.support.wordpress.com/copyright-and-the-dmca/

দেশ ভ্রমন: বাংলাদেশ

15895563_282774662158798_568869729578531696_o

কংলাক পাহাড়, সাজেক, রাংগামাটি, বাংলাদেশ

Alutila

আলুটিলা গুহা

17022527_10211795758560240_7159918014910967727_n

লেকশোর রিসোর্ট, কাপ্তাই লেক

কংলাক পাহাড়, সাজেক, বাংলাদেশ

কংলাক পাহাড়, সাজেক, বাংলাদেশ

17390820_287753631660901_4865397924904305258_o

ভাটির ফুল (লোকাল ভাষা, সৈয়দপুর)

হিমছড়ি, কক্সবাজার, বাংলাদেশ

হিমছড়ি, কক্সবাজার, বাংলাদেশ

কক্সবাজার, বাংলাদেশ

কক্সবাজার, বাংলাদেশ

লংলাক পাহাড়, সাজেক, বাংলাদেশ

লংলাক পাহাড়, সাজেক, বাংলাদেশ

17191444_10211904854887580_4697516404760572586_n

হিমছড়ি পাহাড়

…… রাজনীতি

…………রাজনীতিটা হলো এক ধাঁধাঁ
সাদা হয় কালো, কালো হয় সাদা
ভালোকিছু করতে গেলে আসে শুধুই বাধা
দিনশেষে বলে আম-জনতা, রাজনীতিকরা হলো সব গাধা……….
সত্য সব বলতে গেলে পড়ে নাকি ঠাডা
তারপরও…………………………….
পদ।, পদবী ও জব পেতে রাজনীতিকের পা হয় চাটা
এসব শুনে রাজনীতিকরা বলে এ আবার কোন ব্যাডা………
😉

বীনা ডি কস্টার নেয়া ২০০২ সালে ডক্টর জিওফ্রে ডেভিসের সাক্ষাৎকার এবং সেটিকে নিয়ে মিথ্যার বেশাতি

ধর্ষন মাত্রই নিন্দনীয়

ডক্টর জিওফ্রে ডেভিস। বীনা ডি কস্টা বলে এক ভদ্রমহিলা ২০০২ সালে ডক্টর জিওফ্রে ডেভিসের সিডনিতে একটা সাক্ষাৎকার নেন যুদ্ধ পরবর্তী এদেশের নারীদের অবস্থা জানার জন্য। এখানে মূল সাক্ষাৎকারটি দেয়া হলো।

এখানে মূল সাক্ষাৎকারটি দেয়া হলো।” ধর্ষন এবং হত্যা মাত্রই পরিত্যাজ্য। সত্যকে সত্যভাবে উপস্থাপন জাতির নতুন প্রজন্মের জন্য খুবই জরূরী। আমরা অনেক সময় ঘটনাকে নিজেদের মত করে প্রচার করতে অভ্যস্ত। কস্তার এই সাক্ষাৎকারটিকে অনেকেই বিকৃতভাবে উপস্থাপন করছে। প্রথম ফেইসবুকে দেখলাম এক ভদ্রলোক কস্তার সাক্ষাৎকারটিকে সূত্র হিসেবে তুলে ধরে লিখেছেন, ডাঃ ডেভিড জিওফ্রে বলেছেন ১০০০০০ মহিলা ও শিশু গর্ভপাত করানো হয়। এখানে সংখ্যাগত অমিল লক্ষ্যনীয়, লিখাটিতে বলা হয়েছে ডাঃ জিওফ্রে বাংলাদেশে ৬ মাস ছিলেন, এবং তিনি বলেছেন দৈনিক প্রায় ১০০ জন করে গর্ভপাত করিয়েছিলো।

muktijuddho
উনি ধর্ষনের কথা সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেননি। এখন যদি গর্ভপাতই ধরা হয়, তাহলে দৈনিক ১০০ গড়ে ৬ মাসে সংখ্যা দাড়াঁয় ১৮০০০ জন, তাহলে ১০০০০০ জন আসলো কোথা থেকে?? আবার যুক্তির খাতিরে যদি ধরে নেয়া হয় যে একটু কম বেশি হতে পারে, তবে কোন উপস্থাপিত সংখ্যা যদি আসল সংখ্যা থেকে ৫ গুন বেশি হয় তাহলে ধরে নেয়া যায় যে কোথাও না কোথাও মিথ্যার আশ্রয় নেয়া হয়েছে।
আবার বলছি ধর্ষন মাত্রই নিন্দনীয়, এখানে পাকিস্তানীদের পক্ষে সাফাই কিংবা রাজাকারদের পক্ষে বলার জন্য বিভ্রান্তিকর লিখার বিপক্ষে লিখা না, লিখার আসল উদ্দেশ্য সত্য ঘটনাকে যাতে সবাই বুঝতে পারে সেটি তুলে ধরা।
ডাঃ জিওফ্রের সাক্ষাৎকারের সন্ধানে ইন্টারনেট সার্চ দিলে ডাঃ ডেভিড জিওফ্রে কে নিয়ে উকিপিডিয়ায় একটা লিখা পেলাম, লিখাটিতে
ডাঃ ডেভিড জিওফ্রে কে নিয়ে উকিপিডিয়ায় একটা লিখা পেলাম
মজার বিষয় হলো লিখাটিতে উল্লেখ ছিলো যে ডাঃ ডেভিড জিওফ্রে এস্টিমেট করেছেন যে ৪০০০০০ লাখ মহিলা ও শিশু ধর্ষনের শিকার হয়, সেখানে আরো উল্লেখ করে যে আল বদর এবং আল শামস, এবং তাদের সহযোগীরা এসব ধর্ষনে জড়িত, এখানেও সূত্র হিসেবে সাক্ষাৎকারটিকে ব্যবহার করা হয় কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সাক্ষাৎকারটিতে আল শামস এবং আল বদরের কোন কথা উল্লেখ নেই,। আমি লিখাটি এডিট করে সাক্ষাৎকারে উল্লেখিত সঠিক তথ্যনুসারে লিখি

“According to Davis around 100 women and children per day were performing abortion who had been raped by the Pakistani armed forces”।

ক্ষনিক পরে আমার কাছে নোটিফিকেশন আসলো আমি নাকি ভূল তথ্য দিয়ে এডিট করেছি, আমার উচিত সাক্ষাৎকারের সঠিক তথ্যকে তুলে ধরা। সে আবার লিখাটিকে আগের মত করে, নিজের মনগড়া তথ্য দিয়ে তার মত করে লিখে। আমি আর একবার সাক্ষাৎকারটি পড়লাম। আমার চোখে কোথাও আল বদর, আল শামস চোখে পড়লো না। আমি সেই লেখককে বার্তা প্রেরন করলাম উকিপিডিয়া টক অপশনের মাধ্যমে যে তার উচিত সঠিক তথ্য তুলে ধরা, এবং সঠিক ভাবে তথ্যকে ব্যবহার করা। এবং ইথিকস মেইনটেইন করা।
পরে দেখি আমার দেয়া তথ্য অনুসারে লিখাটি পরিবর্তন করেছে।

পরে দেখি আমার দেয়া তথ্য অনুসারে লিখাটি পরিবর্তন করেছে

মিথ্যা তথ্য দিয়ে সত্যকে প্রমান করার কিছু নেই। পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতা কোন ভূলবার নয়, ক্ষমার অযোগ্য। আমরা সব সময় ধর্ষন এবং হত্যাকে ঘৃণা করি, এবং ন্যায়বিচার দাবি করি।

কিন্তু উদ্দেশ্যপূর্ণভাবে তরুন প্রজন্মকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে দেশের মধ্যে বিভেদ তৈরী, মিথ্যার উপর আশ্রিত ভবিষ্যত প্রজন্ম আমরা কামনা করিনা। উন্নত জাতি গঠনে মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাকে অসৎ উদ্দেশ্য রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার রোধে আমাদেরকে সত্য প্রকাশের জন্য, মিথ্যা তথ্যের বিরুদ্ধে স্ব স্ব অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। এভাবে মনগড়া অনেক ভুল তথ্য দিয়ে উকিপিডিয়ায় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অনেক বিভ্রান্তিকর ব্লগ তৈরি করে সেগুলোকে রেফেরেন্স হিসেবে ব্যবহার করা হয়। নিজেদের সংবাদ পত্রে প্রথমে ভূল তথ্য পরিবেশন করে, পরে সেই পেপারকেই সূত্র ধরে উদ্দেশ্যপূর্ণ ভাবে ব্যবহার  করা হয়, যা গ্রহনযোগ্য নয়। তাহলে সত্যের উপর ভিত্তি করে যে প্রজন্ম গড়ে উঠবে তার ভিত হবে অনেক মজবুত। বিজয়ের মাসে আমাদের প্রত্যাশা হোক বিভেদমুক্ত সমাজের, ব্যক্তিস্বাধীনতা, বাকস্বাধীনতা ও পারাস্পারিক শ্রদ্ধাশীল একটি জাতি গঠনের।

আমার প্রিয় বাংলাদেশ, আমি তোমায় ভালোবাসি
যত দুরে থাকি না কেন, হৃদয়ে তোমায় রাখি
তোমায় অনেক ভালোবাসি!!