Uppsala linnaeus Garden-উপশালা লিনিয়াস গার্ডেনে একদিন

ক্যারোলাস লিনিয়াস দ্বিপদ নামকরনের জনকের নাম অনুসারে উপশালা এই বোটানিক্যাল গার্ডেনের নাম লিনিয়াস গার্ডেন। কারোলাস লিনিয়াস সুইডিশ বিজ্ঞানী ছিলেন।

Uppsala linnaeus Garden-উপশালা লিনিয়াস গার্ডেনে একদিন

লিনিয়াস গার্ডেন

IMG_4472

IMG_4471.JPG

উপশালা ক্যাসল

IMG_4494

IMG_4481.JPG

গার্ডেনে তোলা কিছু ফুল

IMG_4496IMG_4501IMG_4503IMG_4505IMG_4511IMG_4515IMG_4517IMG_4525IMG_4530IMG_4532IMG_4534IMG_4535IMG_4539IMG_4541IMG_4542IMG_4543IMG_4551IMG_4556IMG_4579IMG_4582IMG_4597IMG_4603IMG_4609IMG_4613IMG_4621

দেশ ভ্রমন: বাংলাদেশ

15895563_282774662158798_568869729578531696_o

কংলাক পাহাড়, সাজেক, রাংগামাটি, বাংলাদেশ

Alutila

আলুটিলা গুহা

17022527_10211795758560240_7159918014910967727_n

লেকশোর রিসোর্ট, কাপ্তাই লেক

কংলাক পাহাড়, সাজেক, বাংলাদেশ

কংলাক পাহাড়, সাজেক, বাংলাদেশ

17390820_287753631660901_4865397924904305258_o

ভাটির ফুল (লোকাল ভাষা, সৈয়দপুর)

হিমছড়ি, কক্সবাজার, বাংলাদেশ

হিমছড়ি, কক্সবাজার, বাংলাদেশ

কক্সবাজার, বাংলাদেশ

কক্সবাজার, বাংলাদেশ

লংলাক পাহাড়, সাজেক, বাংলাদেশ

লংলাক পাহাড়, সাজেক, বাংলাদেশ

17191444_10211904854887580_4697516404760572586_n

হিমছড়ি পাহাড়

…… রাজনীতি

…………রাজনীতিটা হলো এক ধাঁধাঁ
সাদা হয় কালো, কালো হয় সাদা
ভালোকিছু করতে গেলে আসে শুধুই বাধা
দিনশেষে বলে আম-জনতা, রাজনীতিকরা হলো সব গাধা……….
সত্য সব বলতে গেলে পড়ে নাকি ঠাডা
তারপরও…………………………….
পদ।, পদবী ও জব পেতে রাজনীতিকের পা হয় চাটা
এসব শুনে রাজনীতিকরা বলে এ আবার কোন ব্যাডা………
😉

বীনা ডি কস্টার নেয়া ২০০২ সালে ডক্টর জিওফ্রে ডেভিসের সাক্ষাৎকার এবং সেটিকে নিয়ে মিথ্যার বেশাতি

ধর্ষন মাত্রই নিন্দনীয়

ডক্টর জিওফ্রে ডেভিস। বীনা ডি কস্টা বলে এক ভদ্রমহিলা ২০০২ সালে ডক্টর জিওফ্রে ডেভিসের সিডনিতে একটা সাক্ষাৎকার নেন যুদ্ধ পরবর্তী এদেশের নারীদের অবস্থা জানার জন্য। এখানে মূল সাক্ষাৎকারটি দেয়া হলো।

এখানে মূল সাক্ষাৎকারটি দেয়া হলো।” ধর্ষন এবং হত্যা মাত্রই পরিত্যাজ্য। সত্যকে সত্যভাবে উপস্থাপন জাতির নতুন প্রজন্মের জন্য খুবই জরূরী। আমরা অনেক সময় ঘটনাকে নিজেদের মত করে প্রচার করতে অভ্যস্ত। কস্তার এই সাক্ষাৎকারটিকে অনেকেই বিকৃতভাবে উপস্থাপন করছে। প্রথম ফেইসবুকে দেখলাম এক ভদ্রলোক কস্তার সাক্ষাৎকারটিকে সূত্র হিসেবে তুলে ধরে লিখেছেন, ডাঃ ডেভিড জিওফ্রে বলেছেন ১০০০০০ মহিলা ও শিশু গর্ভপাত করানো হয়। এখানে সংখ্যাগত অমিল লক্ষ্যনীয়, লিখাটিতে বলা হয়েছে ডাঃ জিওফ্রে বাংলাদেশে ৬ মাস ছিলেন, এবং তিনি বলেছেন দৈনিক প্রায় ১০০ জন করে গর্ভপাত করিয়েছিলো।

muktijuddho
উনি ধর্ষনের কথা সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেননি। এখন যদি গর্ভপাতই ধরা হয়, তাহলে দৈনিক ১০০ গড়ে ৬ মাসে সংখ্যা দাড়াঁয় ১৮০০০ জন, তাহলে ১০০০০০ জন আসলো কোথা থেকে?? আবার যুক্তির খাতিরে যদি ধরে নেয়া হয় যে একটু কম বেশি হতে পারে, তবে কোন উপস্থাপিত সংখ্যা যদি আসল সংখ্যা থেকে ৫ গুন বেশি হয় তাহলে ধরে নেয়া যায় যে কোথাও না কোথাও মিথ্যার আশ্রয় নেয়া হয়েছে।
আবার বলছি ধর্ষন মাত্রই নিন্দনীয়, এখানে পাকিস্তানীদের পক্ষে সাফাই কিংবা রাজাকারদের পক্ষে বলার জন্য বিভ্রান্তিকর লিখার বিপক্ষে লিখা না, লিখার আসল উদ্দেশ্য সত্য ঘটনাকে যাতে সবাই বুঝতে পারে সেটি তুলে ধরা।
ডাঃ জিওফ্রের সাক্ষাৎকারের সন্ধানে ইন্টারনেট সার্চ দিলে ডাঃ ডেভিড জিওফ্রে কে নিয়ে উকিপিডিয়ায় একটা লিখা পেলাম, লিখাটিতে
ডাঃ ডেভিড জিওফ্রে কে নিয়ে উকিপিডিয়ায় একটা লিখা পেলাম
মজার বিষয় হলো লিখাটিতে উল্লেখ ছিলো যে ডাঃ ডেভিড জিওফ্রে এস্টিমেট করেছেন যে ৪০০০০০ লাখ মহিলা ও শিশু ধর্ষনের শিকার হয়, সেখানে আরো উল্লেখ করে যে আল বদর এবং আল শামস, এবং তাদের সহযোগীরা এসব ধর্ষনে জড়িত, এখানেও সূত্র হিসেবে সাক্ষাৎকারটিকে ব্যবহার করা হয় কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সাক্ষাৎকারটিতে আল শামস এবং আল বদরের কোন কথা উল্লেখ নেই,। আমি লিখাটি এডিট করে সাক্ষাৎকারে উল্লেখিত সঠিক তথ্যনুসারে লিখি

“According to Davis around 100 women and children per day were performing abortion who had been raped by the Pakistani armed forces”।

ক্ষনিক পরে আমার কাছে নোটিফিকেশন আসলো আমি নাকি ভূল তথ্য দিয়ে এডিট করেছি, আমার উচিত সাক্ষাৎকারের সঠিক তথ্যকে তুলে ধরা। সে আবার লিখাটিকে আগের মত করে, নিজের মনগড়া তথ্য দিয়ে তার মত করে লিখে। আমি আর একবার সাক্ষাৎকারটি পড়লাম। আমার চোখে কোথাও আল বদর, আল শামস চোখে পড়লো না। আমি সেই লেখককে বার্তা প্রেরন করলাম উকিপিডিয়া টক অপশনের মাধ্যমে যে তার উচিত সঠিক তথ্য তুলে ধরা, এবং সঠিক ভাবে তথ্যকে ব্যবহার করা। এবং ইথিকস মেইনটেইন করা।
পরে দেখি আমার দেয়া তথ্য অনুসারে লিখাটি পরিবর্তন করেছে।

পরে দেখি আমার দেয়া তথ্য অনুসারে লিখাটি পরিবর্তন করেছে

মিথ্যা তথ্য দিয়ে সত্যকে প্রমান করার কিছু নেই। পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতা কোন ভূলবার নয়, ক্ষমার অযোগ্য। আমরা সব সময় ধর্ষন এবং হত্যাকে ঘৃণা করি, এবং ন্যায়বিচার দাবি করি।

কিন্তু উদ্দেশ্যপূর্ণভাবে তরুন প্রজন্মকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে দেশের মধ্যে বিভেদ তৈরী, মিথ্যার উপর আশ্রিত ভবিষ্যত প্রজন্ম আমরা কামনা করিনা। উন্নত জাতি গঠনে মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাকে অসৎ উদ্দেশ্য রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার রোধে আমাদেরকে সত্য প্রকাশের জন্য, মিথ্যা তথ্যের বিরুদ্ধে স্ব স্ব অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। এভাবে মনগড়া অনেক ভুল তথ্য দিয়ে উকিপিডিয়ায় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অনেক বিভ্রান্তিকর ব্লগ তৈরি করে সেগুলোকে রেফেরেন্স হিসেবে ব্যবহার করা হয়। নিজেদের সংবাদ পত্রে প্রথমে ভূল তথ্য পরিবেশন করে, পরে সেই পেপারকেই সূত্র ধরে উদ্দেশ্যপূর্ণ ভাবে ব্যবহার  করা হয়, যা গ্রহনযোগ্য নয়। তাহলে সত্যের উপর ভিত্তি করে যে প্রজন্ম গড়ে উঠবে তার ভিত হবে অনেক মজবুত। বিজয়ের মাসে আমাদের প্রত্যাশা হোক বিভেদমুক্ত সমাজের, ব্যক্তিস্বাধীনতা, বাকস্বাধীনতা ও পারাস্পারিক শ্রদ্ধাশীল একটি জাতি গঠনের।

আমার প্রিয় বাংলাদেশ, আমি তোমায় ভালোবাসি
যত দুরে থাকি না কেন, হৃদয়ে তোমায় রাখি
তোমায় অনেক ভালোবাসি!!

প্রতীক্ষা……..

আলো-আধারের লুকোচুরির এই ক্ষনে
এমনও সন্ধ্যায়
তোমারে পড়ে মনে
তোমার আগমনের প্রতীক্ষায়
পত্র বিছিয়ে বৃক্ষরাজী দিন গুনে………….

0

 

এই কয়েকটি শব্দ এবং ছবি রমুকে……

বাংলাদেশ ভ্রমন

দেশে সার্বিকভাবে মানুষের চলার গতি বেড়েছে। শৈশবে আমাদের গ্রামে একটা রিকশাও ছিলো না দুটো গ্রাম মিলে হয়ত দুটা একটা রিকশা পাওয়া যেত। গরুর গাড়ী ছিলো প্রধান মাধ্যম। দিন অনেকখানি বদলে গিয়েছে। প্রতিবছরই যাই আর নতুন কিছু চোখে পড়ে। গরুর গাড়ি থেকে রিকশা এরপর গিয়ে দেখলাম অটোরিকশাগুলোয় ভরে গিয়েছে পুরো শহর। অটোরিকশার সাথে পাল্লা দিতে প্যাডেল চালিত রিকশায়ও ইঞ্জিন লাগিয়েছে চালকরা। মজার র‍্যাপার হলো গ্রামে আগে যেখানে কাজের লোক কাজের জন্য ধর্না দিত এখন বাসায় কাজের মানুষ পাওয়া দুষ্কর। আগে সৈয়দপুরে বিমান ছিলো সপ্তাহে ১ টা তাও মাঝে মধ্যে বন্ধ থাকতো। এখন সেখানে দৈনিক ৪-৫ টি বিমান যাতায়াত করছে। মানুষ চা পান করতে করতে রাজধানীতে পৌছে বাজার করে আবার ৩৫০ কিমি পাড়ি দিয়ে বাড়ি পৌছতে পারছে।

এই চলার গতি বাড়ার পেছনে কাজ করছে প্রতিযোগিতার মনোভাব, সাথে অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা। অর্থনৈতিকভাবে স্বচ্ছলতা মানুষের জীবন নিয়ে দৃষ্টিভংগি পাল্টে দিয়েছে। মানুষ নিজের অধিকার এবং আত্নসম্মান নিয়ে এখন অনেক সচেতন। পাশাপাশি অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতার কারনে মানুষ স্ব-নির্ভরশীল হওয়ার কারনে সামাজিক শ্রদ্ধাবোধের মধ্যে দৃশ্যমান ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এখন গ্রাম মোড়লের কর্তৃত্ব মানুষ মানেনা কারন মানুষ আগে যেমন অন্যের উপর অনেক নির্ভরশীল ছিলো এখন সেই নির্ভরশীলতার পরিমান কমেছে অনেকখানি। তবে এর পুরো কৃতিত্ব আমি রাষ্ট্রকে দিবো না এই কৃতিত্বের বেশির ভাগই শ্রমজীবি মানুষদের।

তবে মানুষের শরীর যেভাবে গতিশীলতা পেয়েছে, মানুষের মনের গতি সেভাবে বাড়েনি। শারীরিক গতিশীলতার জন্য যে উপরকরন দরকার সেগুলোর সহজলভ্যতা মানসিকভাবে গতিশীল হওয়ার উপকরন গুলোর অভাববোধকে অদৃশ্য করে রেখেছে। ফলে মানুষের মননশীলতার বিকাশ অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতার সাথে তাল মেলাতে পারছেনা ফলে সমাজে অস্থিরতা বেড়েছে। বাড়াটাই স্বাভাবিক। শরীরের পুষ্টির জন্য মানুষ যখন সংগ্রামে ব্যস্ত, মানুষ যখন সমাজে নিজের আসন প্রতিষ্ঠায় ব্যস্ত সেখানে সবার অজান্তেই মন নামক জিনিসটি ক্ষুধায় কাতর হয়ে মৃতপ্রায় হয়ে বেচে আছে। ফলে মানুষের সামাজিক বন্ধন, পারিবারিক বন্ধন গুলো, সম্পর্ক গুলোর মধ্যে সমস্যা ক্রমেই দৃশ্যমান হয়ে উঠছে।

আমার কাছে মনেহয় বড় বড় রাজনৈতিক দলগুলোর সামাজিক আন্দোলনের জন্য দৃশ্যমান এজেন্ডা থাকা উচিত। অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতার পাশাপাশি সমাজে যাতে করে নৈতিকতার মানের উন্নতি হয়, যাতে করে সুস্থ মানসিক বিকাশও ত্বরাণ্বিত হয় সে বিষয়ে কাজ করা উচিত। নাহলে ধীরে ধীরে আমরা ব্যক্তিকেন্দ্রিক কিংবা পরিবার কেন্দ্রিক হয়ে পড়ে থাকবো।

অর্থনৈতিক বিকাশের সাথে মানুষের শরীর ও মানসিকতার বিকাশ হোক। নৈতিকভাবে শক্ত সমাজ গড়ে উঠুক এই কামনা সব সময়ের জন্য।

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক হত্যাকান্ড এবং কিছু ভাবনা

বাংলাদেশের সংখ্যালঘু (?) দের হত্যা সেটি মিডিয়ায় জোড়ালো ফোকাস, সেই সাথে সাইট ইনটেল এর বিবৃতি, বিএনপি কোন এক নেতার সাথে ইসরাইলির ছবি প্রকাশ সেটিকে মিডিয়ায় জোরালো তুলে ধরা সেই সাথে ভারত পন্থী বুদ্ধিজীবিদের বিএনপি জামায়াতের সাথে ইসরাইলের সম্পর্ক খুজার চেষ্টা, পুলিশের স্ত্রীর হত্যা স্বারাষ্ট্রমন্ত্রীর মোসাদের কানেকশনের সাথে বিএনপি-জামায়াতের সংযোগ খুজার চেষ্টা, খুজার চেষ্টা খারাপ না কিন্তু সেটিকে ফ্যাক্ট হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা, আওয়ামীলীগের সাথে বাংলাদেশের জামায়াত বিদ্বেষী ইসলামী দল গুলোর সাথে সম্পর্কন্নোয়নের চেষ্টা, জামায়াতের নেতৃবিন্দের ফাসি। সব গুলোকে যদি কেউ সুক্ষ্নভাবে চিন্তা করে তাহলে একটি প্রশ্ন প্রথমে সামনে ভেসে উঠে যে লাভ কার? হুমম, আসলেই লাভটি কার?

সবার নাম বার বার আসে, আসে মোসাদের নাম ইসরাইলের নাম, ভারতের “RAW” এর নামটি কেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী উচ্চারন করলেন না?

নেতৃবিন্দের একের পর এক ফাসি, থানা ইউনিয়ন পর্যায়ের জামায়াত-শিবিরের নেতারে পিটিয়ে কোমড় ভেংগে দিয়েছে সরকারী বাহিনী। এক একটি হত্যাকান্ডের আগে বা পরে জামায়াত নেতাদের ফাসি দিয়ে হত্যা কান্ড গুলোর দায়ভার অত্যাচারে ক্লান্ত জামায়াত-শিবিরের উপর চাপায়ে কাউকে বাচানোর চেষ্টা করা হচ্ছে না তো??

যে ইসরাইলের বিরোধীতা করাটাই জামায়াত-শিবিরদের আদর্শ সেখানে ইসরাইলের সাথে জামায়াত-বিএনপি সম্পর্ক খোজার মধ্যে কিছুটা দূর্গন্ধ পাওয়া যায় বৈকি।

এমনও তো হতে পারে,

ভারতের “RAW” এর সাথে ইসরাইলের মোসাদের সম্পর্ক অনেক পুরনো, অনেকেই হয়ত জানেনা বাংলাদেশে ভারতের বর্তমান রাস্টদূত আগে ইসরাইলে ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে কর্মরট ছিলো। তাকে বাংলাদেশে সরিয়ে এনে ভারত অবশ্যই কোন এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টায় আছে।

হতে পারে
ভারতের “RAW” এর এজেন্ট রা বাংলাদেশে মাঝে মধ্যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অখ্যাত কাউকে হত্যা করলো, সাথে সাথে ভারতের “RAW” এর পেইড এজেন্ট নিউজ পেপার গুলো সেটিকে হেডলাইন করে ফলাও করে প্রচার করলো, ঐদিকে সাইট ইনটেল কে এই সংবাদ সরবরাহ করলো, সাথে সাথে সাইট ইনটেল সেটি তাদের টুইট থেকে টুইট করলো, বাংলাদেশের সরকার দলীয় লোকজন সেটিকে জংগী আখ্যায়িত করলো এবং তার সাথে জামায়াত- বিএনপির সংযোগের মন গড়া তথ্য সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরলো।

সংখ্যা লঘুদের হত্যা করে আওয়ামীলীগ দুটি ফায়দা নেয়ার চেষ্টা করছে, এবং সেটি করে কারো কাছ থেকে সুবিধা আদায় করছে।

১) সংখ্যালঘু হত্যা করে দ্বায়ভার জামায়াত-বিএনপির উপর দিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাজ থেকে জামায়াত নেতাদের ফাসির বৈধতার নৈতিক সমর্থন আদায় করে নেয়া, বিরোধী দলীয় নেতাদের কোনঠাসা করে রাখা। এর মাধ্যমে ভারতকে নিজেদের দলীয় স্বার্থের পাশে রাখা।

২) বাংলাদেশের মানুষদের মাঝে ক্রমাগত হত্যাকান্ড ঘটিয়ে জামায়াত-বিএনপির উপর দোষ চাপিয়ে আতংকের পরিবেশ তৈরী করে ক্ষমতাকে প্রলম্বিত করা।

সংখ্যা লঘু মারা গেছে এক বছরে হয়ত ১০ জনের বেশি হবেনা। এক ইউনিয়ন ইলেকশনে ১২৬ জন মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। যে ইলেকশনে জামায়াতের কোন উপস্থিতি ছিলো না, তাহলে প্রশ্ন থেকে যায় এই ১২৬ জন মানুষকে হত্যা কারা করলো?? বেশির ভাগ এ মারা গেছে আওয়ামী লীগের দলীয় কোন্দলে। এক বাসের আগুন দিয়ে ৭ জন মারা যাওয়ার মিথ্যা মামলায় যদি বিএনপির সব নেতাদের ধরে জেলে নেয়া যায়, দু-একজন মারার কারনে সুপ্রীম কমান্ডের দায় ভার জামায়াত নেতাদের উপর দিয়ে যদি তাদের ফাসির ব্যবস্থা করা যায়, তাহলে এক ইলেকশনে ১২৬ জন মানুষের প্রান হানীর দ্বায়ভার নিয়ে কারো না কারো ফাসি হওয়া উচিত। হয় এর দ্বায়ভার সরকারের নয়ত ইলেকশন কমিশনের।

১২৬ জন মানুষ যে দলের দলীয় কোন্দলে মারা যাইতে পারে সে দলের দলীয় আদর্শ সোনার বাংলাদেশ গড়ার জন্য কতটুকু গ্রহনযোগ্য কতটুকু সমর্থন যোগ্য সেটিই এখন মিলিয়ন ডলার প্রশ্ন।

হয়ত সময়ই সব কিছুর উত্তর দিবে, মাঝখানে কিছু আহাজারি থেকেই যাবে, সময়ের নিয়ম এটিই। জীবনটা কে দুর থেকে তাকিয়ে দেখলে মনেহয় সত্য সবাই বুঝে, কিন্তু সেটিকে উপলব্ধির কোথায় যেন সীমাবদ্ধতা।

রমজানে মানুষের মনের সেই সীমাবদ্ধতা দুর হোক, মানুষের বিবেক শয়তানের শৃংখল থেকে মুক্তি পাক! আমরা সবাই মিলে দেশটাকে দেশের মানুষগুলো ভালোবাসি এই কামনাই করি।

#SaveBangladesh #Bangladesh