শিরোনামহীন দেশপ্রেম

এমন দেশটি কোথায় আছে
বলবে নাকি তুমি?
রাস্তায় নামলে
পুরুষের চেয়ে বেশি নারী
মানুষের চেয়ে বাড়ী,
রাস্তায় নামে সাইকেল নিয়ে
ঘরে রেখে গাড়ী।
এমন দেশ গেলে নাকি জমবে
টাকা কাড়িকাড়ি
সেই টাকায় হবে নাকি
ঢাকায় একখান বাড়ি।
এমন দেশেতে গেলে পরে
কেমন করে ছাড়ি
নাড়ী পোতা দেশ ছেড়ে
কেমন করে থাকি?? 😉 🙂

শিরোনামহীন

রাজায় রাজায় চলছে লড়াই
প্রজারা করে বড়াই
প্রজাতে পূর্ণ হয়
রাজার কড়াই।
জীবন থাকিতে কভু
করো নাকো বড়াই
রাজার লড়াইয়ে
বৃথা হবে শুধু মরাই।
মরতে চাইলে মরো
স্রষ্টার তরে
তোমার মৃত্যুতে যেন
জান্নাত মেলে…………………………….
…………………………….
নতুনেরা শপথ নিবে সূর্য রাংগা ভোরে।

শিরোনামহীন

অত্যাচারে যদিও বা ক্ষনকাল যায় ক্ষয়ে
তারপরও উহারা বাচিঁয়া থাকে তাহাদের ই মাঝে।
বুলেটের আঘাতে, চাপাতির কোপে তাজা রক্ত ঝরে
স্বপ্নরা ফিরে আসে রক্তজবার সাজে।
ক্ষনজন্মা জীবন আঘাতে যাবে যত ক্ষয়ে
জালিমেরা মরতে মরতে বাঁচবে তত ভয়ে।
ভয়ের জীবন দিওনাকো ওগো প্রভু
মুসলিম না করে দিও নাকো মৃত্যু কভু।

জীবনের সিঁড়ি

যদি করো তড়িঘড়ি
হঠাত ই যাবে যে পড়ি।
যদি চলো ধীরে ধীরে
পড়ে যাবে মানুষের ভীরে
সময় চলে যাবে।
দিন শেষে হয়তো বা
সিড়ি হবে পাড়
ততোদিনে শরীরে
পড়ে যাবে বয়সের ভাড়।
সময়ের সিঁড়ি সময়ে করো তাই পার
দিনশেষে জীবনটাকে মনে হবে
আল্লাহর সুন্দর এক উপহার

সময়ের সিঁড়ি সময়ে করো তাই পার
দিনশেষে জীবনটাকে মনে হবে
আল্লাহর সুন্দর এক উপহার

1499612_10205598313427985_4839986136487612030_n

স্বাধীনতা তুমি

দেশের সমসাময়িক অবস্থার উপর ভিত্তি করে লিখা নতুন কবিতা। আওয়ামী সন্ত্রাস আর নির্যাতনের বাংলাদেশের মানুষের জীবন আজ ওষ্ঠাগত। সেই সব অবস্থার কথা কবিতার ভাষায় তুলে ধরছেন আপনার আমার মতই একজন।

স্বাধীনতা তুমি–
রাজপথে আকা বিশ্বজিতের রক্তমাখা ছবি
১৬ কোটি মানুষের জেলখানা,আর বাড়ন্ত এক বধ্যভূমি

স্বাধীনতা তুমি–
অপরাজনৈতিকদের পদদলিত পতাকার নিস্তেজ ছবি
কাদের মোল্লার রক্ত মাখা লাশ, কসাই কাদেরের অট্টহাসি।

স্বাধীনতা তুমি
হেফাজতের গায়ে মিশে যাওয়া বুলটের গুলি
ডোবা-নালায় ভেসে উঠা লাশের ছবি

স্বাধীনতা তুমি–
প্রতিবাদে ঝরা গুলি, রিমান্ডের নামে নির্যাতন
সীমান্তের কাটাতারে ফেলানীর ঝুলন্ত ছবি।

স্বাধীনতা তুমি—
ডিজিটাল দেশপ্রেমে বন্দী তরুন
তরুনীর মুখে আকা অবুঝ প্রেমের ছবি।

স্বাধীনতা তুমি—
ছাত্রলীগের খুন, ধর্ষণ, আর টেন্ডারবাজী
শিবির নেতাদের নির্যাতনের করুন ছবি।

স্বাধীনতা তুমি–
সাগর-রূনিদের রক্তমাখা লাশ
১৬ কোটি বাংলাদেশীর ভগ্ন হৃদয়, পিলখানা ট্রাজেডী।

স্বাধীনতা তুমি—
গার্মন্টসে জ্বলে উঠা আগুন, বাংলায় ভারতের করিডোর
তিস্তার তৃষ্নার্ত হৃদয়, পদ্মায় জেগে উঠা মরুভূমি।

স্বাধীনতা তুমি—
টয়লেটের কমোডে বসে নেয়া ভোট
নিরীহ মানুষের গায়ে গুন্ডালীগের চাপাতির কোপ।

স্বাধীনতা তুমি–
হাসিনার হাতের তসবি, ইনুর মাথার টুপি
বুলডোজারের আঘাতে সাতক্ষীরায় জেগে উঠা বিরান ভূমি।

স্বাধীনতা তুমি–
হাসিনার ইচ্ছে পূরনের গল্প, ইনুদের হাতের মোয়া
তোমাকে ঘিরে উড়ছে আজ যুদ্ধাপরাধের ধোয়া।

স্বাধীনতা তুমি–
দুর্নীতিবাজদের অপরাজনীতি
বাংলাদেশে ভারতের খবরদারি।

স্বাধীনতা তুমি–
ঘুমহীন চোখ, মনে জাগা ভীতি
বিবেকের কাছে প্রশ্ন-এটাই কি ভালোবাসা আর স্বদেশপ্রীতি??

বিজয় দিবসের কবিতা

বিজয় তুমি এসেছিলে
দিয়েছিলে ধরা
বিজয়ের ৪৩ বছরেও শহীদদের রক্ত
তেল হয়ে পানি করে ঘোলা।

লক্ষ তরুন দিয়েছিলো জীবন
দেশকে ভালোবেসে
তাদের জীবনের দামে কেনা সুন্দরবনের সৌন্দর্য্য
আজ পচা মাছ হয়ে উঠে ভেসে।

ছিলো দেশপ্রেমের ফাকা বুলি আর
পাক হায়েনাদের আগুনের গুলি
দেশপ্রেমের কথা বলে ভারতে লুকিয়েছিলো যারা
তাদের কথা মোরা কেমনে ভূলি??

তাদের হাতে বন্দী বিজয়, বন্দী স্বাধীনতা
কবে পাবো প্রভূ মোরা উমরের মত নেতা??

শুধু ১৬ কোটি মানুষ না, দেশের পশুপাখি গাছ-পালা, প্রকৃতির সৌন্দর্য্য ও আজ বন্দী হয়ে পড়েছে।

জাগো তরুন বাচাও দেশ,
লুটে পুটে খেয়ে দেশটাকে করে দিবে শেষ।

আজকের ছড়া

বীরেরা কভু নাহি করে ভয়
করে না সে মিথ্যার প্ররোচনায় ভয়
জীবন সেতো নিত্য নতুন ছন্দ
প্রেম প্রীতি, বিরহ-ভালোবাসার দ্বন্দ্ব
কেহ বুঝিতে করে ভূল
কেহ ভূল বুঝে করে ভূল
কেহ ভূল করে বুঝে ভূল
তাই অযথায় টানা পরে চুল।
কেহ আছে নাহি মানে কৌতুক আর ছন্দ
জীবনে নাই তাদের আনন্দের গন্ধ
তাদের জীবনটা সাদা-কালো আর ভালো-মন্দ
তারা নাহি পায় জীবনের সূখ
অযথাই তারা পায় দুঃখ।
কেহ কভু তারে করে না পিছু তাড়া
তারা সর্বদাই আপন ঘর ছাড়া——

আজকের ছড়া

“সূখী হবো ভেবে যেই না করলাম বিয়ে
টের টা পাইলাম বিয়ের দু-মাস গেলে
আগে কত কাটতো সময় ফেইসবুকেতে বসে
বউটা আবার সেটাও নিছে আমার থেকে কেড়ে।
পাসওয়ার্ড না দিলে বলবে না সে কোন কথা
পাসওয়ার্ড টা দিয়ে এখন বুকে শুধু পাই ব্যাথা।
আগে কত মৌজ-মাস্তি, হত ব্যাচেলর পার্টি
বিয়ে করে চারিদিকে শুধু হাহাকার আর মাটি
এখন ভাবি শুধু বিয়ে করে করলাম কি এই ভূল
কথায় কথায় বউ আমার টেনে ছেড়ে চুল—”

আজকের কবিতা

আকাশ জুড়িয়া নামিছে বর্ষার ধারা
তারিমাঝে রংধনু আঁকা।
দুর হতে আকাশ যেন ডাকিছে হাকি
চলে এসে আমার জলে হয়ে যাও মাখামাখি।
আনমনে চেয়ে থাকি আকাশে
সারা গায়ে দোলা দিয়ে গেলো বুঝি
বঙ্গমাতার বাতাসে।
হঠাৎ সম্বিত ফিরে পেয়ে…
নিজেকে খুজে পাই অনেক দুরে।
হয়ত ফিরবো বাংলায় কোন এক ভোরে…..

IMG_0652

কবিতা (১৯৯৯ সালে লিখা্)

কবিতা লিখবো বলে কলম ধরিনি
কবি হতে আমি চাই না
তারপরও মনেহয় তুমি একটি জীবন্ত কবিতা
একটি কাব্য কিংবা একটি গান
পহেলা বৈশাখ, ৮ ই ফাল্গুন, ২৬ শে মার্চ, ১৬ই ডিসেম্বরে
তোমাকে খুঁজি ফিরি আমি মানুষের ভীড়ে
১৬ ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন করেছি
কিন্তু তোমার হৃদয় জয় করতে পারিনি
আমি আশাবাদি তাই তোমাকে খুজি আমি
প্রকৃতির সবুজের মাঝে
জ্যোৎস্না স্নাত রাতে চাঁদের আলোয়
অমাবস্যার রাতে হারিয়ে যাওয়া তারার আলোয়
হয়ত বা কোন গানের সুরে
তোমাকে খুঁজতে খুঁজতে আজ আমি-
বড্ড ক্লান্ত, শ্রান্ত, অবসন্ন
তারপরও আমি তোমার পথ চেয়ে বসে আছি
হয়ত তুমি উঠে আসবে সবুজের মাঝ হতে
বাঁশির সুর হতে
কিন্তু-
তখন আমি কি পারবো তোমায় নিতে?
তারপরও তুমি এসো!
তোমার সৌন্দর্য্যে ক্ষুধার্তরা ভূলে যাক ক্ষুধা
তোমার আলোয় দূরিভূত হোক অন্ধকার!
পৃথিবীতে নেমে আসুক শান্তির বার্তা
প্রকৃতি জেগে উঠুক নতুনভাবে।
তাই তোমার পথ চেয়ে আমি বসে আছি
বসে আছি তুমি- কবে আসবে….
এই আশায়..