Gotland Tour- গোটল্যান্ড ট্যুরঃ ফটোগ্রাফী

Gotland tour 041

Sunrise on Baltic Sea, On the way to Gotland, Sweden

Gotland tour 060

Sunrise on Baltic Sea, On the way to Gotland, Sweden

Gotland tour 005

Sunrise on Baltic Sea, On the way to Gotland, Sweden

Gotland tour 090

Hållarna, Visby, Gotland, Nice place for camping

Gotland tour 089

Södra Hållarna, Visby, Gotland

Gotland tour 847

Visby, Gotland

Gotland tour 826

Visby, Gotland

Gotland tour 818

S:t Catherine Church, Visby, Gotland

Gotland tour 816

S:t Catherine Church, Visby, Gotland

Gotland tour 789

Flowers, Visby, Gotland

Gotland tour 783

Rose

Gotland tour 778

Snäcks, Visby, Gotland

Gotland tour 719

Gotland

Gotland tour 718

Gotland

Gotland tour 240Gotland tour 238Gotland tour 125Gotland tour 117Gotland tour 116Gotland tour 112Gotland tour 090

https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js?client=ca-pub-5273376282874147

আত্নীয়-স্বজনের সাথে সম্পর্ক, সামার ক্যাম্প ২০১৭

এবার সামার ক্যাম্পের থিম ছিলো
“Improve connectivity with family and community”
খুব বেশি লেকচার ছিলো না। তবে যে দু- একটি ছিলো তার মধ্যে ছিলো অনেক শিক্ষনীয় কিছু। মাহবুবুল আলম ভাইয়ের লেকচার ছিলো “Lesson from muhammad (sm) on connecting with family and society”
এখানে তিনি সুন্দরভাবে পরিবার ও কম্যুনিটির সাথে আমাদের সম্পর্ক কেমন হবে সেটি কুরআন এবং হাদিসের আলোকে ব্যাখ্যা করেছিলেন। কিছু উদাহরন কিছু কথা ছিলো সত্যিই অনেক সুন্দর।

আমরা জানি শেষ বিচারের দিন আল্লাহর রাব্বুল আলামিনের সামনে আমাদের সব কাজের হিসেব দেয়া লাগবে। উনি হবেন বিচারক। তবে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কিছু বিষয় আগেই ফয়সালা করে দিয়েছেন। তো মাহবুব ভাই একটি সুন্দর হাদিস বলেছিলেন

“রাসুল (সাঃ) বলেন, আল্লাহ তা´য়ালা যখন সমস্ত সৃষ্টিজগতকে সৃষ্টি করলেন, তখন ´রেহেম (আত্নীয়তা)` উঠে দাঁড়ালো/উঠে দাড়িয়ে আল্লাহর কোমড় ধরল। আল্লাহ তা´য়ালা বললেন তুমি কি চাও? সে বলল, এটি হলো আত্নীয়তার ছিন্নকারী হতে তোমার কাছে আশ্রয় প্রার্থনার স্থান! তিনি বললেন, তুমি কি এতে সন্তুষ্ট নও যে, যে তোমার সাথে সম্পর্ক রাখবে আমি তার সাথে সম্পর্ক বজায় রাখবো। যে তোমাকে ছিন্ন করবে, আমিও তাকে ছিন্ন করব।? রেহেম বললো জ্বী, হ্যা প্রভু! তিনি বললেন এটি তো তোমারই জন্য।

রাসুল (সাঃ) আরো বললেন, “আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, আমিই রহমান (দয়ালু), আমার নাম (রহমান) থেকেই `রাহেম` (আত্নীয়তার বন্ধন)- এর নাম নির্গত করেছি। সুতরাং যে আত্নীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখবে আমি তার সাথে বজায় রাখব এবং যে তা ছিন্ন করবে আমি আমা হতে তাকে ছিন্ন করব। ” আল- আদাবুল মুফরাদ, হাদীস/৫৩

আল্লাহ রাব্বুল আলামিন পবিত্র কুরআন পাকে বলেছেন, “ক্ষমতা লাভ করলে, সম্ভবতঃ তোমরা পৃথিবীতে অনর্থ সৃষ্টি করবে এবং আত্নীয়তা বন্ধন ছিন্ন করবে। এদের প্রতিই আল্লাহ অভিসম্পাত করেন, অতঃপর তাদেরকে বধির ও দৃষ্টিশক্তিহীন করেন। ” সূরা মুহাম্মাদঃ ২২

কাল কিয়ামতের দিন যখন আল্লাহ বিচার নেয়া শুরু করলে কেউই রেহাই পাবেনা । যেদিন আল্লাহর আরশের ছায়া ছাড়া কিছু থাকবে না, সেদিন যদি আল্লাহ কাউকে লানত দেয় তাহলে তার কোন রক্ষা পাওয়া সম্ভব নয়।

অপর এক হাদিসে আছে কোন এক সাহাবা রাসূল (সাঃ) কে জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসুল! যদি আমি আত্নীয়তার সম্পর্ক রক্ষার ব্যাপারে সচেষ্ট থাকি এবং যদি সেই আত্নীয় আমার প্রতি খারাপ আচরন করে তাহলে, তখন রাসুল (সাঃ) বললেন, তুমি যদি তার প্রতি ভালো আচরন করো এবং সে তোমার প্রতি খারাপ আচরন করে তাহলে এটি এমন যে, তুমি তার মূখে ছাই নিক্ষেপ করছো।
অর্থাৎ সে নিজে বেঁচে যাবে কিন্তু ঐ ব্যাক্তির উপর আল্লাহর লানত পড়বে।

মাহবুব ভাই খুব সুন্দর একটি উদাহরন দিয়েছিলেন।
কিয়ামতের সময় আসলে কি ঘটবে? পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে সব উলট পালট হয়ে যাবে। নক্ষত্র গুলো স্থানচ্যুত হয়ে ছুটোছুটি করবে। পাহাড় গুলো তুলার মত উড়বে।

উনি প্রশ্ন করেছিলেন, আত্নীয়তার সম্পর্কের ব্যাপারে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন এতো কঠোর নির্দেশ কেন দিলেন? বা সম্পর্ক জিনিসটি এত গুরুত্বপূর্ণ কেন?

গ্যালাক্সিতে গ্রহ, তারকারাজী এবং নানা পদার্থের মধ্যে একটি সম্পর্ক বিদ্যমান। এই সুন্দর সম্পর্কের কারনে যে যার কক্ষপথে একটি সুনির্দিষ্ট গতিতে আবর্তিত হচ্ছে। কাল কিয়ামতের দিনে আল্লাহ শুধু এদের মধ্যে যে সম্পর্ক বিদ্যমান সেটি নষ্ট করে দিবেন ফলে সম্পর্কহীন হয়ে ছন্দ হারিয়ে ছুটো-ছুটি শুরু করে দিবে। একে অপরের সাথে সংঘর্ষে সব ধ্বংস হয়ে যাবে। কিয়ামত সংঘটিত হবে।

আত্নীয় এবং প্রতিবেশিদের সাথে সম্পর্ক গুলো ও এমন। যদি সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যায় তাহলে সেখানে শান্তি থাকেনা। যদি সম্পর্ক খুব বেশি খারাপ হয়ে যায় তাহলে সেই জায়গায় ক্ষুদ্র পরিসরে হলেও সব কিছু তছনচ হয়ে যায়। এজন্য আত্নীয়তার সম্পর্ক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পরিবার যেখানে একটি ইউনিট সেখানে পরিবার দূর্বল হলে সেই সমাজই দূর্বল হয়ে পড়ে। শক্তিশালী শান্তিময় পরিবার গঠন ইসলামের অন্যতম মূল বিষয়। পরিবার শক্তিশালী হলে, সেই পরিবার নিয়ে গঠিত সমাজ তথা রাস্ট্র ও শক্তিশালী হয় ও শান্তিময় হয়। ইসলাম যেখানে শান্তির বানী শোনায় সেখানে পরিবার শান্তিময় হলে গোটা দুনিয়ায় তার প্রভাব ছড়িয়ে পড়তে বাধ্য।

রাসুল (সাঃ) তার মৃত্যু শয্যায় উম্মতকে সাবধান করে বলেছেন, “তোমাদের আত্নীয় স্বজন, তোমার আত্নীয়-স্বজন (সম্পর্কে সাবধান হও)” ছহীহ জামে´ হা/৮৯৪, সনদ সহীহ।

আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আত্নীয়-স্বজনের সম্পর্কের ব্যাপারে আমাদের যত্নশীল হওয়ার তাওফিক দান করুন। (আমীন)

https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js?client=ca-pub-5273376282874147

সামার ক্যাম্প ২০১৭ হতে কিছু শিক্ষা (SMS Sweden)

আমরা প্রতিবারই সামার ক্যাম্পে যাই। প্রতি সামার ক্যাম্পে নতুন গেষ্ট স্পিকার আসেন, প্রতিবারই আমরা নতুন কিছু শিখি। এবার এসেছিলেন, আব্দুল্লাহিল মামুন আযামী ভাই। ৬৪ বছর বয়স্ক একজন মানুষ। উনার বাচন ভংগি এবং উপস্থাপন ভংগি শ্রোতাদের আকৃষ্ট করার মত। নিজে রিসার্চ করে অনেক বড় বিষয়কে ৩-৪ টি letter এর মাধ্যমে প্রকাশ করার সুন্দর পদ্ধতি আমাদের সাথে শেয়ার করেছিলেন তার দু- একটি এখানে শেয়ার করছি। উনি এক লেকচারে বলেছিলেন
RRR এর কথা
Read-Reflect-Reform
এই জিনিসটি আমার কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে। আমরা এটি একাডেমিক ক্ষেত্রে ফলো করলেও নৈতিক ও ধর্মীয় ক্ষেত্রে খুবই কমই করতে পারি। আমরা অনেকেই পড়ি এরমধ্যে খুবই কমজনই সেটি নিয়ে ভাবার/চিন্তার কাজটি করতে পারি। চিন্তা করার পর সে অনুযায়ী নিজেদের অভ্যসকে, নিজেদের attitude কে নিজেদের নৈতিক মানকে পূনর্বিন্যাস ও পুনর্গঠনের কাজটি একদমই করতে পারিনা। এই কাজটিই আমাদের করা লাগবে তাহলে একজন আদর্শ মানুষ তথা একজন আদর্শ মুসলিম হিসেবে নিজেদের কে উপস্থাপন করা আমাদের জন্য সহজ হবে।

HHH
Head-Heart-Hand
Head to heard/think, heart to feel/accept and hand to work
আমাদের ব্রেইনকে কাজে লাগিয়ে আমাদের চিন্তা করতে হবে। কুরআনে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন অনেকবার বলেছেন, চিন্তা করার কথা। কুরআন মু্মিনদের জন্য হেদায়াত স্বরূপ। কুরআনের মাঝেই লুকিয়ে আছে আমাদের ইহকালীন ও পরকালীন মুক্তির পথ। চিন্তা করে বিষয় গুলোকে হৃদয় দিয়ে অনুভব করে সে অনুযায়ী কাজ করতে পারলে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন আমাদের জন্য সহজ হবে।
একদিন এক ভাই বলছিলেন সূরা ওয়াক্বিয়া নিয়ে। আমরা অনেকেই জানি সূরা ওয়াক্বিয়ার ফজিলত। সূরা ওয়াক্বিয়া পড়লে অভাব দুর হয়ে যাবে। আমরা অভাব দুর হওয়ার জন্য, বাচ্চা পাওয়ার জন্য এবং রোগ হতে মুক্তির জন্য অনেক সূরাই নিয়মিত পড়ি। কিন্তু সূরার ভিতরে আল্লাহ যে বার্তা যে সূত্রগুলো আমাদের দিলেন সেগুলো নিজেদের জীবনে প্রাকটিস করি না, আমল করিনা ফলে আমরা সেগুলো হতে ফল সহজে পাই না। হয়ত অনেকেই আল্লাহকে দোষ দেই যে কপালে রাখেনি। এগুলো নিয়মিত পড়ার পরও আমাদের হৃদয়ে যে প্রশান্তি আসার কথা সেটি আসেনা শুধুমাত্র বিষয় গুলোকে অনুভব করতে না পারার কারনে।

QQQ
Quran-Quality-Quantity
Quran
Quality for high standard
Quantity for great result
Quran কে বেইস ধরে আমাদের কোয়ালিটি ডেভেলপ করতে হবে।

T-W-A-H-C-D
Thought-Words-Action-Habit-Character-Destiny
মামুন ভাই এই শব্দগুলো বলেছিলেন সূরা লুকমানের ১৩-১৯ আয়াতের ব্যাখ্যায়।
আমাদের নৈতিক মানকে উন্নয়নের জন্য প্রথম যে কাজটি করা উচিত সেটি হলো। আমাদের চিন্তা করা উচিত কিভাবে আমরা আমাদের নৈতিক মানের পূনর্বিন্যাস করবো। চিন্তাকে আমাদের কথায় পরিনত করার চেষ্টা করতে হবে। এটি করতে পারলে সেটিকে আমাদের বাস্তবে রূপ দেয়ার জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে। কাজ শুরু করে দিতে হবে। আমরা যখন একটি কাজ বার বার করতে শিখবো তখন সেটি আমাদের অভ্যাসে পরিনত হবে। যদি আমরা কোন ভালো কাজকে অভ্যাসে পরিনত করতে পারি তাহলে সেটি আমাদের চরিত্রের একটি অংশ হয়ে জীবিত থাকবে আমাদের সাথেই। ভালো আমলকে আমরা আমাদের চরিত্রের অংশ করতে পারলে আমাদের যে লক্ষ্য সেটিও অর্জন হয়ে যাবে। ইনশাল্লাহ।
মামুন ভাইয়ের দুটি বাক্য-
Inspire to learn and grow
Advice what to learn and why
উনি এখানে আরো দুটি কথা বলেছিলেন, যে বাচ্চাদের প্রশ্ন করাকে উতসাহ দিতে হবে। অনেক বাবা-মা বাচ্চাদের প্রশ্নের উত্তর দিতে না পেরে ধমক মেরে চুপ করে দেয়, explain করতে না পারার অক্ষমতা থেকে বাচ্চাদের ধমক মারে। এটি করা ঠিক না। কারন বুদ্ধিমান বাচ্চারাই প্রশ্ন করে। তাদেরকে সুন্দরভাবে উপদেশ দিলে তারা সহজেই তা পালন করতে শিখবে।

উনি তাক্বওয়ার ব্যাখ্যা করতে গিয়ে একটি ছক দিয়েছিলেন
Do …………………………………………………………Don´t

1) ফরজ ………………………………………………হারাম
২) সুন্নাহ ……………………………………………মাকরূহ
৩) নফল ……………………………………………..মুতাশাবিহাত

কোন একটি কাজের/আমলের মানের চিন্তা করে সেটির Priority ঠিক করলে। আমাদের জন্য আমল করা অনেক সহজ হয়ে যাবে। উনি একটি সুন্দর উদাহরন দিয়েছিলেন,

তারাবিহ নামাজ ৮ রাকাত নাকি ২০ রাকাত এটি নিয়ে মানুষ অনেক সময় মারামারি শুরু করে দেয়। অথচ মানুষ চিন্তা করেনা মারামারির শরীয়াহ হুকুম কি আর তারাবিহ নামাজের শারীয়ায় হুকুম কি। অর্থাত যদি কোন একটি আমল সুন্নাহ হয় সেটির জন্য যদি হারাম কাজ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে তাহলে আগে আমাদের হারাম থেকে বাচা। এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি শিক্ষা।

পরিবারের সমস্যা/ঝগড়া বিবাদ মিটানোর জন্য 5D এর কথা বলেছিলেন
D-Describe
D-Diagnosis
D-Discuss
D-Decision
D-Do/action

পরিবারে সমস্যা হলে সেটি পারিবারিক মিটিংয়ে আলোচনা করে সমস্যাকে চিহ্নিত করে কিভাবে সেটি সমাধান করা যায় আলোচনা করে সিন্ধান্ত নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করলে পারিবারিক সমস্যার সমাধান হবে খুবই দ্রুত। যারা পারিবারিক মিটিংয়ের ব্যাপারে জানেন না। তারা প্রতি মাসে পরিবারের সব সদস্যদের নিয়ে মিটিং করতে পারেন। পরিবারের সব কিছু নিয়ে সবার মতামত, সবার সমস্যা আলোচনা করলে শক্তিশালী শান্তিময় পরিবার ব্যবস্থা গড়ে উঠবে। পরিবার যেখানে সমাজ তথা রাষ্ট্রের ক্ষুদ্র একটি ইউনিট সেখানে পরিবার শক্তিশালী হলে, ন্যায়ভিত্তিক পরিবার ব্যবস্থা গড়ে উঠলে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে সহজেই।

আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদের ভালো ভালো আমল করার তৌফিক দান করুন। (আমিন)

Uppsala linnaeus Garden-উপশালা লিনিয়াস গার্ডেনে একদিন

ক্যারোলাস লিনিয়াস দ্বিপদ নামকরনের জনকের নাম অনুসারে উপশালা এই বোটানিক্যাল গার্ডেনের নাম লিনিয়াস গার্ডেন। কারোলাস লিনিয়াস সুইডিশ বিজ্ঞানী ছিলেন।

Uppsala linnaeus Garden-উপশালা লিনিয়াস গার্ডেনে একদিন

লিনিয়াস গার্ডেন

IMG_4472

IMG_4471.JPG

উপশালা ক্যাসল

IMG_4494

IMG_4481.JPG

গার্ডেনে তোলা কিছু ফুল

IMG_4496IMG_4501IMG_4503IMG_4505IMG_4511IMG_4515IMG_4517IMG_4525IMG_4530IMG_4532IMG_4534IMG_4535IMG_4539IMG_4541IMG_4542IMG_4543IMG_4551IMG_4556IMG_4579IMG_4582IMG_4597IMG_4603IMG_4609IMG_4613IMG_4621