স্ট্যানডার্ড যখন দূষিত হয় তখন দূষনহীন কোন কিছু খুজে পাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে।

স্ট্যানডার্ড যখন দূষিত হয় তখন দূষনহীন কোন কিছু খুজে পাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে। বর্তমান সময়ে অনুকরনীয় আদর্শ খুজে পাওয়া দুষ্কর। সেটা ধর্মভিত্তিকই হোক আর রাজনৈতিক ই হোক। জ্ঞান অর্জনের মাধ্যম সহজ লভ্য হওয়ায়, তথ্যের বিনিময় সহজলভ্য হওয়ার ফলে মানুষের থিওরীটিক্যাল জ্ঞানের সাথে প্রাকটিক্যাল জ্ঞানের ব্যবধান ক্রমশ বর্ধমান। ফলে একজন মানুষ যখন প্রশ্নের সম্মুখীন হয়, বা চলার পথে বাধার সম্মুখীন হয় তখন সে প্রাকটিক্যাল জ্ঞানের ভিত্তিতে রিএ্যাকট করার পরিবর্তে থিওরীটিক্যাল জ্ঞানের ভিত্তিতে রিএ্যাক্ট করে ফলে অনেক ক্ষেত্রে মানুষের দ্বারা ভূল ব্যাখ্যা উপস্থাপিত হয় যেটি হয়ত স্ট্যানডার্ড বা আদর্শ কোন কিছু থেকে অনেক দুরে। মানুষ যখন কোন জ্ঞানকে নিজের মধ্যে প্রতিফলিত করতে পারে তখন সে সেই জ্ঞানের ধারক হয়ে যায় তখন তার সামনে সেই জ্ঞান সম্পর্কিত কোন কিছু সামনে আসলে সে আত্নীকৃত জ্ঞানের আলোকে তার মোকাবেলা করে, ফলে তখন আদর্শ বিচ্যুত হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। অপর পক্ষে মানুষ সৃষ্টিগতভাবে প্রানী শ্রেনির অন্তর্ভুক্ত হওয়ার ফলে যদি সে জ্ঞানকে নিজের মধ্যে প্রতিফলিত না করে তাহলে কোন কিছু তার সামনে আসলে সে প্রানীসূলভ আচরনে তার মোকাবেলা করে ফলে সেসব ক্ষেত্রে মানুষের প্রানীগত আচরনের বৈশিষ্ট্যগুলো প্রতিফলিত হয়। মানুষ প্রানী হওয়ার মানুষ অনুকরনীয়, তাই মানুষের সামনে যথাযথ আদর্শের উপস্থিত না থাকলে মানুষ অনুকরন করার তেমন খুজে পায় না ফলে ভূল পথে পা ফেলার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। আবার জ্ঞানের সহজলভ্যতায় মানুষ আদর্শ সম্বন্ধে অবগত হয়েও তার সঠিক এবং পূর্ণাংগ উপস্থিতি না থাকায় মানুষ অনুকরন এবং অনুসরন করা থেকে বিরত থাকে। আর এই আদর্শের পূর্নাংগ উপস্থিতি না থাকার প্রধান কারন হিসেবে আমার মনেহয় আমাদের অর্জিত জ্ঞানের সাথে চরিত্রে প্রতিফলিত জ্ঞানের ব্যবধান। ফলে নেতার কোন কর্মী নেতার অবর্তমানে কিংবা কোন সাধারন মানুষ অগোচরে নেতার গীবত করে। কারন কথিত আদর্শের বাণী থেকে নেতার চারিত্রিক বিচ্যুততা।

সুতরাং পৃথিবীকে একটি সুন্দর বাসযোগ্য ভূমি হিসেবে গড়ে তুলতে আমাদের মধ্যে আদর্শের সঠিক চর্চা করা দরকার। এবং নিজেদেরকে বাস্তব আদর্শ হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে মানুষ তাদের সামনে অনুসরনীয় কিছু খুজে পাবে। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন যাদের যোগ্যতা আছে তাদের অনুসরনীয় আদর্শিক মানুষ হওয়ার তৌফিক দিন।

নিষ্ঠুর জনপদ

নিষ্ঠুরতায় দেশটা হয়েছে শেষ
এরমাঝেই আমরা আছি বেশ!

কখনও লাঠির বারি কখনও বা খুন্তির ছ্যাকা
কখনো হাতে পায়ে ধরে, আর্তনাদ উঠে হৃদয় কাপা!

কখনো বেওয়ারিশ লাশ, কখনও বা হচ্ছে মানুষ গুম
এরমাঝে আমাদের হচ্ছে ব্যাপক ঘুম!

গাড়ির গ্যাস পেটে ভরে কখনও বা করি অট্টহাসি
নিষ্ঠুরতার গাংগে মোরা বেশ ভালো আছি!

কারো মুখে সংগীত, কারো হাতে গান (বন্দুক)
সেলফি নিয়ে কেউবা আছে ব্যস্ত
পাইলে মন্তরীগন দেশটা গিলতো নাকি আস্ত!

তারপরো নিষ্ঠুরতায় মোরা আছি বেশ
মনে স্বপ্ন সুখের ঘুম হোক না আগে শেষ!