চায়ের একটি বিশেষ রেসিপি।

যারা চা পানে বিরক্ত, চায়ের নেশা ছাড়তে কষ্ট হচ্ছে নতুন কিছু ভাবছেন। তাদের জন্য চায়ের একটি বিশেষ রেসিপি।

লাইম বা বাংলায় যেটাকে আমরা পাতি লেবু বলে জানি তবে যদি ব্ল্যাল পাতি লেবু পাওয়া তাহলে আরো বেশি টেষ্টি হবে। কালোটিতে একটু তেল তেলে ভাব থাকে। যারা দেশের বাহিরে আছেন তারা খুব সহজেই পেয়ে যাবেন ড্রাইড ব্লাক লাইম। আর যদি কালোটি না পান তাহলে সবুজটি দিয়ে একবার টেষ্ট করে দেখতে পারেন। যাদের বাড়িতে পাতি লেবুর গাছ আছে তারা লেবু রোদে শুকিয়ে ফেলে সেটি ব্যবহার করতে পারেন।

প্রথমে পানি গরম করে নিন তারপর সেই গরম পানিতে শুকনা লেবুটি টুকরা করে দিয়ে দিন কিছুক্ষন ভালোভাবে সিদ্ধ করুন। দেখবেন যখন পানি ফুটছে তখন পাত্রটি নামিয়ে রাখুন তাহলে টুকরা গুলো নিচে বসে যাবে তখন আপনার চা রেডি। ডায়াবেটিস রোগীরা চিনি ছাড়া পান করবেন।

unnameddried-limes-75g-limu-omani-limoo-omani-black-lime-6716-p

SONY DSC

dried-black-lime

এই চা পানের উপকারীতা,
চায়ের রাসায়নিক উপাদান থেকে আপনি দুরে থাকতে পারবেন। চায়ের মধ্যে অতিরিক্ত লেবু ব্যবহার না করলেও চলবে। এটি আপনাকে কিনতে হবে না বাড়ির লেবু ব্যবহার করতে পারেন। ঠান্ডাজনিত রোগে এটি অনেক উপকারী। নিচে চায়ের রং দেখলে আপনার মনেই হবে না যে আপনি অন্য কিছু পান করছেন, মনে হবে লেবু চা। সুতরাং আজই ট্রাই করুন। নিচে আপনাদের জন্য তৈরী চায়ের ছবি ও লেবুর ছবি দেয়া হলো।

শিরোনামহীন ভাবনা

পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা হলো মায়ের পেট/গর্ভ। পৃথিবীর সবচেয়ে নিরিহ, পাপহীন মাসুম হলো গর্ভের বাচ্চা। যাদের সন্ত্রাসের কারন মায়ের পেটের বাচ্চা রেহাই পায় না তারাই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী। মজার বিষয় এসব সন্ত্রাসীই দেশে এখন পুলিশের আশ্রয়ে অপরাধ করে সদর্পে ঘুরে বেরাচ্ছা। আর নিরীহ স্কুল মাদ্রাসায় পড়া ছোট ছোট শিশু বালককে অ্যারেষ্ট করে জেলে নেয়া হচ্ছে।

দেশে গিয়েছিলাম, অনেকেই বললো ডিবি পুলিশকে মিথ্যা তথ্য দেয়া হয়েছে তোকে অ্যারেষ্ট করে মামলা দিবে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া আমার এলাকার ছোট ভাই দেশে গিয়ে শুনি সে আমারই এলাকার যুবলীগের ইউনিয়ন সভাপতি তাকে ফোন দিলাম। সে বললো ভাই বাসায় থাইকেন না একটু নিরাপদে থাকেন। এরপর আইনশৃংখলা বাহিনীতে কর্মরত এক ফ্রেন্ডকে বললাম দোস্ত এই অবস্থা পুলিশ হয়রানি করছে, তারা ভাসায় শিবির করলেই কেন পুলিশ হয়রানি করবে। শিবির যে কেউ করতেই পারে। বন্ধু হয়ত কাজে অনেক ব্যস্ত থাকে হয়ত দেশের প্রতিদিনের খবরের কাগজ পড়ার সময় খুব কম পায়। যাহোক এক বন্ধুর আত্নীয় এক এআইজির কাছে গিয়ে কথা বলার সুযোগ হলো। উনি ভালো পরামর্শ দিলেন কিন্তু যখন বললাম যে মামা পুলিশ আমাকে হয়রানি করছে, আমার নামে মিথ্যা তথ্য দিয়েছে পুলিশ সেগুলোকে সঠিক মনে করেই হয়রানি করছে। সেই এআইজি মামার ভাষায় দেশের অবস্থা এমন হয়ে যায়নি মানুষ পুলিশকে যা বলবে পুলিশ তাই বিশ্বাস করবে। কি করে উনাকে বুঝাবো আমার অবস্থা আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা। হয়ত উনিও অনেক ব্যস্ত থাকেন কাজে সময় পান না পত্রিকা পড়তে। এত বড় মানুষ সময় কম পাওয়াই স্বাভাবিক।

মনেপড়ে গেলো ইসলামের স্বর্ণযুগের মুসলিম শাসকদের কথা।
সে সময় মুসলিমদের জয় জয়কার। বিশাল এক সাম্রাজ্যর শাসক ছিলেন মুসলিম শাসক রা তারপর প্রত্যেকটি নাগরিকের জানমানের ব্যাপারে তারা ছিলেন সজাগ।

গতকাল শুনলাম খুলনায় ১৫০ জন মাদ্রাসার ছাত্রকে অ্যারেষ্ট করে জেলে নিয়ে গেছেন ক্ষমতাধর পুলিশ বাহিনী। এই ছাত্রগুলোর অপরাধ কি হয়ত পুলিশ নিজেও জানেনা। যাহোক হয়ত এই ছাত্ররাই মানুষের মধ্যে পড়ে না।

আমার এলাকার এক ছোট ভাই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে, নাম রাসেল। বেশ কিছুদিন আগে ছাত্রলীগের ছেলেরা দিন দুপুরে পুলিশের সামনেই তার একটা পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়, তার অপরাধ শিবির করে সে। তার পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে তাকেই পুলিশ রা অ্যারেষ্ট করে থানায় নিয়ে যায়। কিছুদিন আগে দেশে গেলে সৈয়দপুরে ছেলে হিসেবে তার সাথে পরিচয় হলো, আমাকে তার আতংকের কথা জানালো যে ভাই দেশে থাকলে আমারে আবার ধরে নিয়ে যাবে একটু সাহায্য করেন। আমি ভেবেছিলাম দেশে এখনও কিছু ভালো মানুষ আছে ছেলেটা তরুন বয়ষে পা হারালো আবার তাকে কেন জেলে নিয়ে যাবে। দুদিন পর জানালো ভাই অনেক ভয়ে পরীক্ষা দি্চ্ছি ছাত্রলীগের ছেলেরা আমারে মেরে ফেলার জন্য পরীক্ষা কেন্দ্রেও আসে। যাহোক দু-মাস আগে শুনলাম পরীক্ষা দিতে গিয়ে পুলিশ তাকে অ্যারেষ্ট করে জেলে দিয়েছে।
প্রশ্ন হলো যারা তার পা টা বিচ্ছিন্ন করলো তাদের শাস্তি কে দিবে? পুলিশ যদি নিজেদের মানুষ মনে করে তাহলে তাদের মনে এসব অন্যায় হয়ত বিবেক কে নাড়া দেয়ার কথা। পুলিশরা ব্যস্ত সন্ত্রাসীদের রক্ষা করতে তাই যারা অসহায় তাদের হৃদয়ের কান্না পুলিশের হৃদয়ে পৌছানোর মত উপায় নেই।

মাঝে মাঝে কিছু ভাইয়ের অসহায়ত্ব দেখে, কাহিনী শুনে সত্যি কান্না চলে আসে। যে আসলেই কি আমরা মানুষ। আওয়ামী লীগ হোক আর শিবির ই হোক সবাইতো এক দেশের সন্তান।

যখন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তাম তখন ৪ দলীয় জোট ক্ষমতায়। ক্যাম্পাসে শিবিরের মিছিল দেখেলেই বুঝা যেত মানুষ আসলেই শিবিরকে কত ভালোবাসে। এই ভালোবাসা ক্ষমতার নয়, এই ভালোবাসা নিরাপদ বোধের আর এই নিরাপত্তা জীবনের মান-সন্মানের। শিবির ক্যাম্পাসে থাকলে অনৈতিক কাজ কম হয়। এই কারনেই অনেকেই বিশ্ববিদ্যালয়কে মাদ্রাসা বলত। আমার ক্যাম্পাসে পড়াকালীন সময়ে সৈয়দ আমীর আলী হলে ছিলাম ঐ হলে ছাত্রলীগের অনেক ছেলে ছিলো কিন্তু কখনও শুনিনি শিবিরের কেউ তাদের গায়ে হাত তুলেছে। মজার বিষয় হলো আমার রূমমেট ছিলো শিবিরের ব্লগ সভাপতি তার মামাতো ভাই নাম ফিরোজ দিনাজপুর বাড়ি তার পরিবারের সবাই আওয়ামী লীগ করত, সেটি সেই সময়ের হল সভাপতি কুষ্টিয়ার আক্তার ভাইও ভালো করে জানতেন বরং উনি এসে ফাজলামি করতেন যে এরা ঘষা আওয়ামী লীগ কখনও তার সাথে খারাপ ব্যবহার করেনি। সেই ফিরোজ শিবিরের সীটে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দেয় চান্সও পায় ম্যানেজেমেন্টে সেই ফিরোজই পড়ে আমীর আলী হলের ছাত্রলীগের আহবায়ক হওয়ার জন্য লবিং গ্রুপিং করে পড়ে সেই ক্যাম্পাসে শিবিরতো বটে সাধারন ছাত্রদের জন্য আতংক হয়ে দাড়ায় তার নাম হয় পেড়েক ফিরোজ। কারন চাদা না পেলে সে নাকি গায়ে পেড়েক মারত।

ঐ সময়ে হলে অনেকেই ছিলো ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলো কিন্তু কেউ কারো দ্বারা আঘাত পেয়েছে বলে শুনিনি। অথচ আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসার পর শিবিরের নিরীহ ছেলেদের মেরে তাদেরই আবার পুলিশের হাতে তুলে দেয়ার মত ন্যাক্কারজনক ঘটনা অহরহই ঘটছে। এসব ঘটনায় সাধারন ছাত্রও বাদ যাচ্ছে না।

আমার এলাকার ছেলে হায়দার আলী আমাকে মামা বলে ডাকে। বেচারা কোন রাজনীতিই করতো না অথচ ছাত্রলীগ তাকেও শিবির বলে ধরিয়ে দেয় এখন বিসিএস পেয়েও বেচারার চাকরী হচ্ছে না। ভাইভার রেজাল্ট নাকি আটকিয়ে রেখেছে। এসব ঘটনার সাথে পুলিশ অতপ্রোতভাবে জড়িত। অথচ পুলিশের কাছে এসব খবর নাকি পৌছায় না।

ছাত্রলীগ ও আওয়ামীলীগের রাজনীতি নষ্ট হয়ে গেছে। বাংলাদেশকে জাতিগতভাবে সংকটে ফেলতে আওয়ামীলীগের রাজনীতি প্রতাক্ষভূমিকা রাখছে। সমাজে এক শ্রেনীর মানুষ এখন আতংকে দিন কাটাচ্ছে, বাড়ীছাড়া হয়ে ঘুরে বেরাচ্ছে অসংখ্যা মানুষ।

আওয়ামীলীগের শিক্ষিত ভালো মানুষ গুলোর উচিত, এমন নোংরা রাজনীতি না করা। রাজনীতিকে আদর্শ দিয়ে, নিজেদের কাজ দিয়ে মোকাবেলার চেষ্টা করা।

আল্লাহ রাব্বুল আলামিন পুলিশকে আরো ক্ষমতাধর করুক। তাদের কানকে বড় করে দিন। তাদের মধ্যে মানুষের প্রতি ভালোবাসা এবং তাদের দ্বায়িতবোধকে বাড়িয়ে দিন এই কামনা করি।

সবশেষে, আমার এক বন্ধু আমার ফেইসবুক স্ট্যাটাস দেখে ক্যানাডা থেকে ফোন দিয়ে বলছে শোন; দেশকে নিয়ে ভাবার জন্য ১৬ কোটি মানুষ আছে, তুই বিদেশে আছিস বাইরে থাকার চেষ্টা কর দেশের জন্য চিন্তা বাদ দে”

বর্তমান অবস্থায় তার পরামর্শ সত্যিই অনেক ভালো। কিন্তু গ্রাম বাংলায় বেড়ে উঠা মানুষগুলো তাদের মাতৃভূমির প্রতি আসক্তি কি সহজেই ছাড়তে পারে? যেদিন সমাজের ভালোমানুষ গুলো রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভূলে সম্মিলিত কন্ঠে অন্যায়কে অন্যায় বলবে, ন্যায়ের জয়গান গাইবে, মানবতার জন্য কাজ করবে সমাজের সবাইকে নিজেদের মত একজন মনে করবে। সেদিনই মানবতার জয় হবে, সেদিন ই আমরা সভ্য বাংলাদেশি হতে পারব।

ডাঃ মীম এবং সালমা ইসলামঃ বাংলাদেশ

সামাজিক মাধ্যমগুলোতে খবরটি নিয়ে অনেক মাতামাতি চলছে। আমার কাছে ঘটনাটি খুবই স্বাভাবিক মনে হয়েছে। আমরা যখন আমাদের অজান্তেই অন্যায়কে প্রশ্রয় দেই তখন সেই অন্যায়যে আমাদের দিকে ধাবিত হয়ে আসবেনা এটা আশা করা নিতান্তই বোকামী।

ডাঃ মীম এবং সালমা ইসলাম সমাজের দুটি চরিত্র। এই চরিত্র দুটির মধ্যে একটি চরিত্র সালমা ইসলাম আমাদেরই সৃষ্টি। আমাদের কারো ভোটে তিনি আমাদের মানে সমাজ নিয়ন্ত্রকদের একজন। আমরা যখন নীতিহীন মানুষদের নির্বাচিত করি, যখন ভোটের উল্লাসে শরীক হয়ে আমরা আনন্দে মেতে উঠি তখন হয়ত খেয়াল করিনা এই নীতিহীন মানুষগুলোর নখের আচড় একদিন আমাকে আপনাকে রক্তাক্ত করতে পারে।
প্রতিবাদ করতে হলে, অন্যায়কে সমাজ থেকে দূর করতে হলে অন্যা্য়ের প্রতিবাদে যদি আপন পর ভাবনা তৈরী করেন তাহলে সেটি সমাজ থেকে দূর হবে না। এর শিকার সবাইকেই হতে হবে। আজকে আমি আগামীতে আপনি। কারন নীতিহীন, মানুষরূপী হায়েনাদের চরিত্র একই থাকে। সমাজে আপনার চারপাশের মানুষ গুলো যখন অন্যায়ের শিকার হয়, যখন অন্যায়ভাবে নিরিহ তরুনদের ধরে নিয়ে গিয়ে অত্যাচার চালানো হয়, যখন ক্রস ফায়ারের নামে কোন মায়ের বুকের সন্তানকে কেড়ে নেয়া হয় তখন আপনি, আমি যদি চুপ করে থাকি, তখন যদি আপনার মানব হৃদয়ে রক্তক্ষরন না হয়, তখন যদি আপনার মনে প্রতিবাদের ঝড় না উঠে, তখন যদি আপনি নিজেকে অত্যাচারীতের একজন ভাবতে না পারেন তাহলে বুঝবেন সেই অন্যায়ের সমর্থকদের মধ্যে আপনি আমিও শামীল। সেই অন্যায়েই বিভিন্ন রূপে বিভিন্ন সময়ে ছোবল মারছে সমাজের সবাইকে।
সমাজ থেকে অন্যায় দূর করতে হলে অন্যায়কে অন্যায় ভাবতে শিখুন। সব অন্যায় এবং অত্যাচারের বিরুদ্ধে নিজেদের কলমকে চালু রাখুন। নিজেদের প্রজাতি হলে প্রতিবাদ করবেন অন্য কারো প্রতি অন্যায় হলে চুপ করে থাকবেন তাহলে আপনিও সেই অন্যায়ের নিয়ামকের ভূমিকা পালন করছেন। এগিয়ে আসুন সবার জন্য। রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিন্নতার জন্য যারা অন্যায়ভাবে নির্মম নির্যাতনের শিকার হচ্ছে তাদের পাশেও দাড়ান। কারন অন্যায় কারীরা একই গোষ্ঠিভুক্ত যখন তারা প্রতিরোধরের সম্মুখীন হয় না তখন তাদের সমর্থক ও সাহস বেড়ে যায় সমাজে অন্যায়ের রাজত্ব কায়েম হয়, বর্তমান বাংলাদেশে সেটিই হয়েছে।
ডাঃ এর মধ্যেও অনেকেই আছে ভূয়া সার্টিফিকেইট ব্যবসা করে। আমি নিজেই এর স্বাক্ষী। পড়াশোনা করে ডাঃ না হয়ে অনেকেই আছে অমানুষ হয় আপনারা যারা ডাঃ চেয়ে নিজেদের মানুষ বলে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন তাদের উচিত এমন ডাঃ দের অন্যায়ের প্রতিবাদ করা। তাহলে দেখবেন সবাইকে অন্যায়কে ঘৃণা করছে।
যেদিন আমরা মানুষকে মানুষ হিসেবে ভালোবাসতে শিখবো, যেদিন সমাজের সবাইকে একটি পরিবারের সদস্য ভেবে ট্রিট করতে পারবো, যেদিন বিভিন্ন প্রজাতিতে নিজেদের ভাগ করা ভূলে যাবো, সবাইকে এক পরিবারের সদস্য ভেবে অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে শিখবো সেদিনই আমরা মানুষ হতে পারবো, সেদিনই সমাজে মানুষের রাজত্ব কায়েম হবে। তার আগে অন্যায়ের প্রতিনিধিদের রাজত্ব চলবে, একটু গুতা খাইতেই হবে, কাউকে কম কাউকে বেশি। আমরা গুতা খেয়ে বড় ই তাই গুতা খাওয়াটা আমাদের অভ্যসে পরিনত হয়েছে। সুতরাং একটু গুতাগুতি না হয় খাই। চেতার কি আছে।
আমাদের মনের যে সুপ্ত অন্যায়গুলো আছে সেগুলোর বহিপ্রকাশ হলো সালমা নামক চরিত্র। সালমারা আর কেউ নন, আমাদের মানুষ স্বত্তার ভেতর যে অন্যায়ের দানব আছে তার বাহ্যিক রূপ মাত্র। কারন সালমাদের আমরাই নেতা বানাই। জয় হোক সালমাদের।