বন্ধুদের জন্য আজকের উপহার

IMG_3169

রাজার বাগানের ফুল, উপশালা, সুইডেন

IMG_3170

রাজার বাগানের ফুল, উপশালা, সুইডেন

IMG_3182

রাজার বাগানের ফুল, উপশালা, সুইডেন

IMG_3196

রাজার বাগানের ফুল, উপশালা, সুইডেন

IMG_3198

রাজার বাগানের ফুল, উপশালা, সুইডেন

IMG_3208

দোয়েল পাখি, উপশালা, সুইডেন

IMG_3209

দোয়েল পাখি, উপশালা, সুইডেন

IMG_3159

উপশালা নদী, সুইডেন

“চোরের শপথনামা”

শুনশান জনপদ, চারিদিকে কানাঘুষা
সবাই বলছে যখন আর নাই কোন আশা
হঠাৎ এক চোরের দল, হাকিয়া উঠিল রব
ভোট দিলেই হবে সমস্যার সমাধান সব।
এরপর চারিদিকে প্রান-চাঞ্চল্য, আশার আলো
এই বুঝি কেটে গেলো মেঘ আকাশ টা হলো ভালো
নারী-পুরুষের পদ চারনায় মুখরিত জনপদ-
কেউবা সাইকেল চালিয়ে, কেউবা ঝাড়ু হাতে
নেমে পড়লো ধুয়ে ফেলতে জনতার মনের ক্ষত।
অবশেষে প্রতীক্ষীত দিন আসলো—
একরাশ স্বপ্ন নিয়ে সবার ঘুমাতে যাওয়া
রাত পোহালেই প্রতিক্ষার অবসান, হবে বুঝি নবসুচনা-
—কত কি??
কিন্তু চোর কি বদলায় চরিত্র?
চোরের মনে শংকা, যদি হেরে যাই জনমতে
হাটলো তারা সেই চেনা পথে,
সমস্ত জনপদকে ঘুমিয়ে রেখে…
চোরেরা চুরির মহৌৎসবে মেতে উঠলো।
জয় হলো চোরের, হেরে গেলো সমগ্র জনপদ
মানুষের আশাগুলো ভেসে গেলো চুরির উৎসবে।
সেই চোর হবে নাকি নগর পিতা…??
আলবৎ হবে, চোরেই তো হবে পিতা চোরের
সাধারন মানুষ ঘুমে স্বপ্ন দেখে নতুন ভোরের

চলছে আয়োজন হবে নাকি চোরের শপথনামা
শুনে রেখো হে চোর! মানুষ করবেনা তোমায় ক্ষমা!

আজকের ফেইসবুক পোষ্ট

শিক্ষিত হয়ে যদি ভদ্রতাই শিখতে না পারলাম তাহলে সে শিক্ষার মূল্য কি?? বিদেশে এসে একটি জিনিস খেয়াল করেছি এখানে শিক্ষিত মানুষের মধ্যে সংযম এবং বিনয় জিনিসটি বেশি ফুটে উঠে। দেখা গেলো বিশ্ববিদ্যালয়ের খুবই স্বনামধন্য অধ্যাপক তাকে পাওয়া যাবে সবচেয়ে বিনয়ী মানুষ হিসেবে। এখানে যে যত বড় তার মধ্যে বিনয় ভাবটা তত বেশি, এদের আচরনে অহংকারবোধ, বা গর্ববোধ খুবই কম। হয়ত এরা বুঝে যে জ্ঞানের শেষ নেই সুতরাং গর্ব আর ঔদ্ধত্যের কিছু নেই। এখানে শিক্ষিত লোকের মধ্যে ঔদ্ধত্য লোক খুজে পাওয়া ব্যতিক্রম আর বাংলাদেশে শিক্ষিত ক্ষমতাবান লোকের মধ্যে বিনয়ীলোক খুজে পাওয়া একটি ব্যতিক্রম ঘটনা।

যে শিক্ষা মানুষকে বিনয়ী করে সেটিই প্রকৃত শিক্ষা কারন যারা শিক্ষিত তারাই শিক্ষার গভীরতা বুঝতে পারে। আর যে ক্ষমতা মানুষকে বিনয়ী করে সেটিই প্রকৃত ক্ষমতা কারন যেই ক্ষমতার উৎস বিষয়ে প্রকৃত জ্ঞান লাভ করেছে সেই বিনয়ী থাকতে পেরেছে।

কেন জানি মনেহয় আমাদের শিক্ষায় কোথায় যেন ঘাটতি আছে। দেশে লক্ষ্ লক্ষ্ বিশ্ববিদ্যালয় গ্রাজুয়েট কিন্তি বিনয়ী, অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল মানুষের বড়ই অভাব। শিক্ষা মানুষকে সভ্য করে তুলে, শিক্ষা নাকি মানুষের হৃদয়কে আলোকিত করে। কিন্তু যখন দেখি টিভি টকশোতে বি.জে. একজন অধ্যপকের উপর চড়াও হয়, যখন দেখি শিক্ষাংগনে ছাত্রকর্তৃক শিক্ষক মারধরের শিকার হয়, তখন মনেহয় আমরা আজো সভ্য হতে পারিনি, আমরা সভ্য হওয়ার ভান করি। সভ্য তো গ্রামের সেই অশিক্ষিত মানুষগুলো যারা নিজেদের রক্তঝরা শরীর দিয়ে আমাদের মত অসভ্য মানুষ গুলোর নিত্যদিনের চাহিদা পূরন করছে।

কবে আমরা সভ্য হবো?? রাজাকারদের (?) বিচার হলে?? জামায়াতের নেতাদের ফাসিতে ঝুলালে?? কোটি টাকার প্রশ্ন। এসব প্রশ্ন করলে ভালো মানুষও রাজাকার হয়ে যায়, তবে একটি কথা বলতে দ্বিধা নেই, তত বেশি জামায়াত নেতাদের ফাসি হচ্ছে, শিবির নেতারা জেলে বন্দী হচ্ছে। বাংলার জমিতে মা-বোনেরা তার চেয়ে বেশি হারে লাঞ্ছনার শিকার হচ্ছে। এসব যারা করছে তাদের বংশবৃদ্ধী, সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। জামায়াত-শিবির মরে বেচে যাবে কিন্তু যাদের বংশবৃদ্ধি হচ্ছে যাদের সংখ্যা বৃদ্ধি হচ্ছে এরাই ভবিষ্যতে আপনার মেয়ের, বোনের কাপড় ধরে টান মারবে, আপনি তখন নিজেকে শুধু ধিক্কার দিবেন, কিছই করার থাকবেনা।

প্রতিহিংসা মানুষকে সমস্যা থেকে উদ্ধার করতে পারেনা। সমস্যার সুষ্ঠু সমাধানই পারে দেশ ও জাতিকে সামনে এগিয়ে দিতে।

আল্লাহ আমাদের সঠিক বুঝ দান করুন (আমীন)

আজকের ফটোগ্রাফী

IMG_3041

Moon From Bancony, Flogsta, Uppsala, Sweden.

Moon before the sun set

Moon before the sun set

IMG_3019

Moon Before Sun set… Flogsta, Uppsala, Sweden

IMG_3016

The Moon, before Sun Set, Flogsta, Uppsala, Sweden

IMG_3014

The Moon, Before Sun Set, Flogsta, Uppsala, Sweden

IMG_3003

The Moon, Before Sun Set, Flogsta, Uppsala, Sweden

IMG_3041

The Moon, After Sun Set, Flogsta, Uppsala, Sweden

IMG_3032

The Moon, After Sun Set, Flogsta, Uppsala, Sweden

রাজাকার ঈমানদার হতে পারে, দেশপ্রেমিক হতে পারে, কিন্তু আওয়ামীলীগ কখনও গনতান্ত্রিক হতে পারে না”

বেশ কয়েকমাস আগে “ব্লাড ডায়মন্ড” ম্যুভিটা দেখেছিলাম। ডায়মন্ড কোম্পানীগুলো নিজেদের স্বার্থে কিভাবে স্থানীয় জনগনের মাঝে ভারী অস্ত্র তুলে দিয়ে তাদের মধ্যে সংঘাত সৃষ্টি করে কিভাবে কোম্পানীর স্বার্থ আদায় করে, একটি ডায়মন্ডের টুকরার জন্য কতগুলো মানুষের কলিজার টুকরো ঝরে পরে সেটাই হলো ম্যুভিটির প্রতিপাদ্য বিষয়। হয়ত ততকালীন ভারত বর্ষের ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী নিয়ে এমন একটি ম্যুভি তৈরী করা যাবে।
পশ্চিমারা কখনৈ নিজেদের স্বার্থ ছাড়া অন্য কোন মানুষ বা জাতির জন্য কিছু করেনি। বাহির থেকে দেখলে মনেহয় এদের মত মহামানব আর নেই। শুধু ঈমান থাকলে মনেহয় ভালো মুসলিম হয়ে যেত, অনেকেই বলেও তাই। আসলেই কি তাই??

একটু হিসেব করে, চিন্তা করে দেখলে দেখতে পারবেন, যতগুলো জায়গায় মুসলিম রা মারামারি করছে এর সবগুলোতেই পশ্চিমা প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে জড়িত। আর প্রায় সবগুলো বিবাদমান দেশ, গোষ্ঠির মাঝে ভারী অস্ত্রের সরবরাহ করে মূলত এই খোলসধারী পশ্চিমারা। এরা নিজেদের প্রয়োজনে “আল কায়েদা” তৈরী করে তাদের অস্ত্র দিয়ে জংগী তৈরী করে, আবার এই জংগীদের নির্মূল করতে পাকিস্তান সহ অন্য আরব দেশে অস্ত্র বিক্রি করে, আবার এরাই অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরী করে অন্যায় চুক্তি করে নিজেদের স্বার্থ হাসিলে ততপর হয়। যেখানে স্বার্থ নেই সেখানে এরা কখনই সময় নষ্ট করে না।

বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থায় পশ্চিমাদের বিবৃতি, উদ্বেগ প্রকাশ আমার কাছে আইওয়াশ ছাড়া আর কিছুই মনে হয় না। চীনের উত্থানে যুক্তরাষ্ট্রের ভরসা তুলনামূলক ভারত। আবার ভারত সাগরে নজরদারী বাড়াতে এই অন্চলে প্রবেশ করার উপায় দুটি।

১) অনৈতিক চুক্তি
২) জংগী ইস্যু তৈরী করা।

অনৈতিক চুক্তির জন্য দরকার অস্থিতিশীল পরিবেশ। অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরী করে অনৈতিক সুবিধা আদায়ই হলো পশ্চিমাদের ভাষায় “দাতা গোষ্ঠির দান”। অস্থিতিশীল পরিবেশে দূর্বল ও জনসমর্থনহীন ক্ষমতালোভী সরকারগুলোই হয়ে পরে এদের উত্তম টার্গেট। স্বার্থন্বেষী পশ্চিমারা কখনই দেশপ্রেমিক, জাতিয়তাবাদী সরকার গুলোকে সহজে সমর্থন দিতে চায় না।

জংগী ইস্যুঃ জংগী ইস্যু তৈরীর জন্য বাংলাদেশ এখন খুবই উর্বর ভূমি। ইতোমধ্যে অভিজিত হত্যাকান্ডে আল কায়েদার নাম উঠে এসেছে সেটি আবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউজেও এসেছে। তারমানে হলো বাংলাদেশকে নিয়ে পশ্চিমাদের পরিকল্পনার দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু হয়ে গেছে।

আওয়ামীলীগের ক্ষমতায় থাকা যতটানা শেখ হাসিনার কৃতিত্ব তার চেয়ে বেশি কৃতিত্ব পশ্চিমা গোষ্ঠির অনৈতিক ততপরতা। ভারত এবং পশ্চিমাদের অনৈতিক দাবিগুলোকে বৈধ চুক্তির মাধ্যমে জায়েজ করে নেয়ার জন্য আওয়ামী সরকারের মত উপযুক্ত এই মুহুর্তে আর কেউ নেই। আওয়ামীলীগের চেয়েও যদি কোন পক্ষ আরো বেশি সুবিধা দিয়ে ক্ষমতা ভাগিয়ে নিতে পারে অথবা যদি আওয়ামী লীগ অনৈতিক কোন দাবি মেনে না নেয় তাহলে সেটি হতে পারে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থার পরিবর্তনের একটি উপায় অন্যথায় এই মুহুর্তে বিবৃতি বলেন আর জাতিসংঘের দৌড়ঝাপ বলেন সবই হলো বিশেষ গোষ্ঠির স্বার্থে।

আওয়ামীলীগের বর্তমান চরিত্র চলমান থাকলে এমনও এক সময় হয়ত আসবে যখন আওয়ামীলীগের দেশপ্রেমিক অংশটুকু আর আওয়ামীলীগ কে বিশ্বাস করবেনা। তখন হয়ত পরিবর্তন আসতে পারে নতুবা যদি হুজুগে বাংগালী কখনও জেগে উঠে দৌড় দেয়।

সেই স্বপ্ন সত্যি হোক, এই কামনা করি।

অবস্থা এমন দাড়িয়েছে যে, আওয়ামীলীগই বলা শুরু করছে, “রাজাকার (?) ঈমানদার হতে পারে, দেশপ্রেমিক হতে পারে, দেশের আইনকে শ্রদ্ধা জানিয়ে দেশ ও ইসলামের জন্য মৃত্যুকে সাদরে গ্রহন করতে পারে, কিন্তু আওয়ামীলীগ কখনও গনতান্ত্রিক হতে পারে না”

আওয়ামীলীগ গনতান্ত্রিক হোক, রাজাকার দেশপ্রেমিক হোক, মেরুদন্ডহীন বিএনপি সোজা হোক, জামায়াতের বন্দী দশার অবসান হোক, এরশাদ সুস্থ হোক, দেশের মানুষের মানুষের জন্য সোনার বাংলার জমিন নিরাপদ হোক, সবাই মিলেমিশে একাকার হোক, শান্তিপ্রিয় মানুষের বিজয় হোক, এই কামনাই করি।