একান্ত ভাবনা

প্রতিরাতে ল্যাব থেকে বাসায় ফেরার সময় ট্রেন থেকে নামলেই একটি উচু সেতু পরে। সেতুর উপর উঠলেই আকাশটা অনেক বড় মনে হয়। তখন নিজেকে অনেক ক্ষুদ্র এক সৃষ্টি মনেহয়। সেতু পার হতে না হতে সামনেই একটি উচু পাহাড় প্রতিদিন এই সেতু আর পাহাড় পার হয়েই ট্রেন ধরা লাগে। পাহাড়ের দিকে তাকালেই মনেহয় কতবড়। মহান রাব্বুল আলামিনের বিশাল দুনিয়ায় আমরা এক একজন মানুষ আসলেই অতিব ক্ষুদ্র সৃষ্টি। এক ঘরের কোনে যখন শুয়ে থাকি ঘরটিকে অনেক বড় মনেহয়। ঘরের ছাদের দিকে তাকালেই মনেহয় আল্লাহর রাব্বুল আলামিন কত বড় জায়গাই নাদিয়েছেন আমাদের জন্য। আমরা আসলেই যে কত ক্ষুদ্র সেটি মনেহয় কবরের কথা মনে পড়লে। আটোসাটো একটি কবর। আমরা আসি আমরা যাই দুনিয়ার সব কিছুই আগের মতই চলে, অথচ একটু ত্যাগ, একটু ভালোবাসা দুনিয়ার অনেক সমস্যার সমাধান করতে পারে। অথচ ক্ষুদ্র এই জীবনের জন্য আমরা কত কিছুই না করছি, এই করার মধ্যে যদি অন্যের অধিকারকে স্থান দেই তাহলে সবাই সুখি হতে পারে। নিজের সূখ টুকু শেয়ার করার মাঝে মানুষ নামের স্বার্থকতা। অথচ আমরা ক্ষুদ্র এই জীবনে নামের জন্য কত কিছু ই না করছি ক্ষমতার জন্য দুনিয়ার সব কিছু উলট পালট করে দিচ্ছি। কত গর্ব, কত অহংকার!

আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের ক্ষুদ্র এক সৃষ্টি হয়ে অহংকার করে বা ই কি? থাকুক না সবাই সবার মত ভালো। প্রতিদিনের লাশগুলোর ছবি দেখে নিজের মানুষ পরিচয়কে একটি মুখোশ বলে মনেহয়। দুনিয়ার অন্য কোন বন্য প্রানীর চেয়ে আমরা কোন অংশে হিংস্রতায় কম না। তাহলে আমাদের এত গর্ব করার ই বা কি?

আল্লাহ রাব্বুলা আলামিন আমাদের মানুষ হিসেবে বেচে থাকার তৌফিক দান করুন। (আমীন)

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s