নর্দমা বলে আমায় তুমি রক্ষা করো প্রভু। প্রভু হেসে বলে তুমি নর্দমাই থাকো, তাহাদের করিব তোমার সমতুল্য আজি।

নর্দমা বলে আমায় তুমি রক্ষা করো প্রভু

যেটুকু ছিলো মোর সাথে ভালো, তাও তো নিতে চায় কারি

চারিদিকে শুধু শুনি ভালোর কান্নার রোল আর আহাজারি

তাহা চাপিয়া উঠিয়াছে আজ রাজ সেনাদের গর্জন আর ঝারি।

প্রভু হেসে বলে তুমি নর্দমাই থাকো,

তাহাদের করিব তোমার সমতুল্য আজি।

বাংলাদেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক নর্দমা আছে, মনুষ্য সৃষ্ট বর্জ্য বহন করে বড় নর্দমার গর্তে নিয়ে যাওয়াই হলো এর কাজ। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার আলো এসব নর্দমার অবস্থার পরবর্তনে কোন ভূমিকা পালন করতে পারেনা। শিক্ষার ছোয়া হিসেবে শিক্ষিতে আবর্জনা বহন করাই হলো এদের কাজ। নর্দমাকে পরিষ্কার কিংবা দূষনমুক্ত করা যেমন দুঃসাধ্য কারন দূষন মুক্ত করতে চাইলে সেটি আর নর্দমা হিসেবে বেচে থাকতে পারেনা, সেটি হয়ে যাবে সেচ কাজে ব্যবহৃত ড্রেন কিন্তু সেচ কাজে ব্যবহৃত ড্রেন বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকতে পারেনা।

সম্প্রতি ছা্ত্রলীগের বিশুদ্ধকরণ অভিযানের অংশহিসেবে কেন্দ্র থেকে কিছু গ্রুপ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ভ্রমন করছেন। উদ্দেশ্য দুটি

১) তথাকতথিত অনুপ্রবেশ কারীদের খুজে বের করা। বা তাদের অনুপ্রবেশ রোধ করা।

২) বিশৃংখলা কারীদের কিছুদিন আন্ডারগ্রাইন্ডে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেয়া।

কথা হলো অনুপ্রবেশকারী হিসেবে এরা কাদেরকে অভিহিত করছে সে বিষয়ে চিন্তা করা। ছাত্রলীগের অপকর্মগুলোকে যেসব ছাত্রলীগ কর্মী ঘৃণা করছে, কিংবা মিডিয়ায় প্রকাশে সহযোগিতা করছে এবং এসব অপরাধের বিষয়ে বিরোধিতা করছে তাদের অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।

অপরপক্ষে যারা সন্ত্রাস আর খুনের জন্য ফ্রন্ট লাইটে কাজ করছে এদের কে ত্যাগী নেতা হিসেবে পুরষ্কৃত করছে নানা ভাবে।

কিন্তু কথা হলো ছা্ত্রলীগকে সন্ত্রাসমুক্ত করার যে অভিযান কিংবা অনুপ্রবেশকারী রোধ করার জন্য যে অভিযান সে অভিযান যদি আসলে বাস্তবায়ন হয়, তাহলে ছা্ত্রলীগকে খুজে পাওয়া যাবে তো??? যেখানে অনেকের ই ছা্ত্রত্ব বাতিলের হয়েছে নানা কারনে, অনেকের শেষ। তাহলে উপায় কি???

উপায় একটাই।

বিশুদ্ধভাবে দূষিতদের নিয়ে সামনে অগ্রসর হওয়া। একবারে নির্ভেজাল দূষিত জিনিস এখন আওয়ামীলীগের ভরসা। কারন মস্তিষ্ক বিকৃত হলে, পাগলদের সাথে ছাড়া সংসার করা বড়ই জটিল হয়ে যায়।

সুতরাং শেষে একটাই স্লোগান ——–

আন্ধেরা কায়েম রাহে।

জিয়ে রাহো আন্ধেরা কি তাকাত, আন্ধেরা কি মালিক।

জয় বাংলা।

বিঃদ্রঃ

আপসোস লাগে যে শহীদ জিয়া মরে ও শহীদ নামটা , পদবীটা নিতে পরেছে, কিন্ত বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য সন্তানরা যদি শহীদ পদবী বা উপাধীটা দিতে পারত। আমরা আজ গর্বে করে বলতে পারতাম যে আমাদের দেশের প্রতিষ্ঠা একজন শহীদ। আল্লাহ জিজ্ঞেস করবেন যে হে বান্দা তুমিতো বঙ্গবন্ধু হতে চেয়েছিলে, তোমার সন্তানরা তোমাকে সে উপাধি দিয়েছে আর কি চাও তুমি। তখন বঙ্গবন্ধু হয়ত বলবেন হে আল্লাহ তুমি আমাকে ওদের সাথে জড়াইওনা। আমার উপর এতোটা জুলুম করোনা খোদা।

আল্লাহ তায়ালা এই দুজনকেই জান্নাতবাসী করুন। যারা এই দুজন মহান নেতার নাম নিয়ে দেশ ও জাতির ঘাড়ের উপর আছর করে বসে আছে, তাদের সেই ভূত যাতে তারাতারি ছুটে যায়, বাংলার পাবলিক যাতে সেই ভূতের ব্যাপারে বুঝতে পারে সেই তোফিক তুমি বাংলার সহজ সরল মানুষদের দিও খোদা।

(আমীন)

তাবলীগের আখেরী মোনাজাতের সমাপ্তি ও আমাদের প্রত্যাশা

তাবলীগের আখেরী মোনাজাতের সমাপ্তি। মোনাজাতের কিছু বিশেষ দৃশ্যঃ
১) মোনাজাতে বঙ্গভবন থেকে অংশ নেন রাষ্ট্রপতি মো.জিল্লুর রহমান।
২) গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অংশ নেন।
৩) টঙ্গীর এটলাস হোন্ডা ভবনের ছাদে বসে বিরোধীদলীয় নেতা ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ইজতেমার আখেরি মোনাজাতে শরিক হন।

তাবলীগী মোনাজাতের ফজিলতের দিকে মানুষ দিন দিন ঝুকছে। ঝক্কি ঝামেলাহীন অফুরন্ত নিয়ামতের জীবনের শুরু হয় এই মোনাজাতের মাধ্যমে। এ এক এমন নিয়ামত যা কেউ ই হাতছাড়া করতে রাজি না, এই মোনাজাতের ফজিলতে সাপে-নেউলে একঘাটে জল খায়। চির শত্রুপ্রতিম দুই দলকে একই মোনাজাতে নিয়ে আসার এই কৃতিত্ব তাবলীগ জামাতের। অনেক আশাছিলো, কিছু না হলে দোয়ার মাধ্যেমে নির্যাতনের শিকার মুসলিম মা-বোনদের অপমানের জন্য হলেও কিছু কথা বের হবে, এই জামাত থেকে। দেশের ক্ষমতাধর দুই নারীকে মোনাজাতে নিয়ে আসার জন্য হয়তো তাবলীগী ভাইয়েরা বড়ই তৃপ্ত। কারন উনাদের দ্বারাই এটি সম্ভব। তবে উনাদের দ্বারাও এটাও সম্ভব মুসলিম নিপীড়নের কথা ভূলিয়ে আখেরী মোনাজাত করা। এই মোনাজাতের উদ্দেশ্য ই বা কি সেটা বুঝা বড় ই দুঃসাধ্য। যে দোয়া করলে কেউ মন খারাপ করেনা, এনারা সেই দোয়া ই করেন। এমনকি চোখের সামনে মা-বোনদের ইজ্জতের উপর হামলা হলেও এনারা পাশকাটিয়ে যায়।
হাদিস হতে যা জেনেছি, পাপকে মনেমনে ঘৃণা করা হলো, দূর্বলতম ঈমানের পরিচয়। হয়ত এই দূর্বলতার কারনে এনারা নিয়মিত ফিকির করেন, যে ফিকিরে দুই মহিলা নেত্রী শরীক হন প্রতিবছর। আল্লাহ জানেন এনারা এই দূর্বলতা কবে কাটিয়ে উঠবেন।

যুদ্ধাপরাধের বিচার চলছে আন্তর্জাতিন অপরাধ ট্রাইব্যুনালে, অনেকের দাবী এখানে নাকি শুধু ঐ আন্তর্তজাতিক শব্দটিই উপস্থিত সেখানে কোন আন্তর্জাতিক আইনের কোন উপস্থিতি নাই। আমার কাছে এই তাবলীগী জামাতের বাইরের সুন্নতি পোশাক আর এই আখেরী মোনাজাত ছাড়া ঈমানের আইনের তেমন কোন উপস্থিতি আছে বলে মনেহয় না। ঘুনেধরা সমাজে মানুষ অল্পতে বেশতৃপ্তিবোধ করে। গ্রামের মসজিদ গুলোতে গেলে দেখবেন, ঠিকমত ওজু করতে জানেনা কিন্তু পীরের ভক্তির শেষ নাই। সবারই উস্তাদ আছে, সপ্তাহ শেষে হালকা ( মাথা ঝাকিয়ে জিকির করে) করে বাড়ি ফিরে তন্দ্রাছন্ন চোখে মহান আল্লাহর প্রিয়বান্দাদের খাতায় নিজেদের নাম দেখতে দেখতে ঘুমিয়ে পড়া।

পীরের দরগায় যেমন দ্বীনি শিক্ষায় অনীহাগ্রস্থ ও অশিক্ষিত লোকের সমাগম বেশি। সংসারের প্রতিদিনের ঝামেলা থেকে মুক্ত হয়ে দরগায় গিয়ে কলকিতে এক-দুটা টান মেরে ঈমানকে উজ্জীবিত করে পীরের মুরীদেরা। ঠিক তেমনি তাবলীগ জামায়াতের মধ্যে হাদিস-কুরানের তাফসীরের প্রতি অনীহাগ্রস্থ একশ্রেনীর শিক্ষিত ও অশিক্ষিত মিশ্রিত মানুষের সমাগম বেশ লক্ষনীয়।

তাবীলীগের ভাইদের কাছে দুঃখিত এমন লিখার কারনে, এরকম লিখার কারন আপনারা নিশ্চয় উপলব্ধি করার কথা। যখন মুসলিম মা-বোনদের ইজ্জতের উপর আঘাত আসে তখন কোন প্রকৃত মুমিন চুপ থাকতে পারেনা। কারন এসব সম্মানিত মা-বোনরাই জন্ম দিবে মুসলিম সিপাহশালারদের।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক বুঝ দান করুন, আমাদের আলেম সমাজ ও মা-বোনদের উপর যে অপমান করা হয়েছে সে রকমভাবে অপমানিত করেই যেন জালিম সরকারের পতন ত্বরাণ্বিত করে। (আমীন)

সুইডেনে ইসলাম ভীতিঃ ইতিহাসের আলোকে পর্যালোচনা

১৬ শতকের মধ্যভাগের দিকে সুইডেন আনুষ্ঠানিকভাবে ক্যাথোলিক থেকে লুথারান প্রোটেষ্ট্যান্ট দেশে পরিণত হয়। সেসময় ল্যাটিন খ্রীষ্টিয় বিশ্বে ইসলামকে নেগেটিভ ভাবে উপস্থাপন ছিলো খুব জনপ্রিয়, সেসময় ইসলাম এবং মুহাম্মদ (সাঃ) কে খুবই বিকৃতভাবে খ্রীষ্ট সমাজে উপস্থাপন করা হয়। ইসলামকে চিত্রিত করা হয় একটি, নিষ্ঠুর, আক্রমনাত্নক, মারাত্নক ধর্ম হিসেবে আর মুহাম্মদ (সাঃ) কে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়। তবে সেসময় ম্যাক্সিম র‍্যাডিনসন মত ঐতিহাসিক গন পজিটিভভাবে ইসলাম এবং মুহাম্মদ (সাঃ) কে উপস্থাপনের চেষ্টা করে।

তবে ইসলামকে নিয়ে বিকৃত উপস্থপনা সবচেয়ে বেশি ছড়িয়ে পড়ে সুইডেনের চার্চগুলোর মাধ্যমে। মুহাম্মদ (সাঃ) কে কিভাবে মানুষের সামনে তুলে ধরা তার উদাহরন পাওয়া যায় ১৬ শতকের মধ্যভাগের একটি চার্চের দেয়ালের পেইন্টিং থেকে। এই চার্চটি গোথেম চার্চ নামে পরিচিত যেটি গোটল্যান্ডে অবস্থিত। গোটল্যান্ড হলো সুইডেনের একটি দ্বীপ যেটি সুইডেনের পূর্ব উপকূলে অবস্থিত। সেই পেইন্টিং দেখানো হয় সেইন্ট ক্রিস্টোফার শিশু যিশুকে রক্ষা করছে পানি থেকে যেখানে পোপ এবং মুহাম্মদ (সাঃ) মৃত অবস্থায় দেখানো হয়েছে। এই পেইন্টিং আমরা কি বুঝতে পারি? এ ধরনের প্রপাগান্ডা মূলত ক্যাথোলিক পোপের নেতৃত্বাধীন চার্চের বিশ্বাসকে নির্দেশ করে। এই পেইন্টিং এ রাসুল মুহাম্মদ (সাঃ) এর সাথে অজ্ঞাত পোপকে অপমান করা হয়েছে। পোপের সাথে ইসলামকে জড়ানো সেসময়ে একটি প্রথায় পরিনত হয়েছিলো। যখন ই চার্চ এবং খ্রীষ্টান ধর্মের বিরুদ্ধ কিছু চিত্রিত করা হত তখন ই পোপ এবং ইসলাম কে একসাথে দেখানো হত। এরকম ই একটি উদাহরন পাওয়া যায়, ১৬০৯ সালে ক্যাসপার মেলিসান্ডার এর প্রার্থনা বইয়ে যা শিশুদের জন্য লিখা হয়েছিলো। ঐ বইয়ের একটি প্রার্থনায় লিখা ছিলো “Sweet Lord Jesus Christ, keep us from the Turk, the Tattar, the Pope and all
sects”। ইসলামের উত্থানকে অন্যান্যদের জন্য ধ্বংসস্বরূপ এটি এখনও সুইডেন এর কিছু ফ্রি চার্চে দেখানো হয়।

১৬৩৪ সালের সংবিধানে ধর্মীয় ঐক্যকে সুইডেনের উন্নতির জন্য খুবই গুরত্ব হিসেবে ঘোষনা করা হয়। এটি ১৭ শতকে পর্যন্ত আরো কিছু ডিক্রির মাধ্যমে বলবত করা হয়।, যেমন ১৬৬৫ সালে লুথারিজম ছাড়া অন্য ধর্ম চর্চাকে বেআইনি করা হয়। ১৭৭৪ সালে ধর্ম ত্যাগীদের সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে নির্বাসন কে আইন করা হয়। ১৬৮৬ সালের আইন অনুযায়ী একজন ধর্মত্যাগীকে কখনই সুইডিশ হিসেবে বিবেচনা করা হবেনা এবং তাকে দেশ ত্যাগ করতে হবে, অধিকন্তু চার্চের ধর্ম চর্চাকে নাগরিকত্বের একটি শর্ত হিসেবে গন্য করা হত।

অটোমান শাসকদের প্রতি আকর্ষনঃ
১৭ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে এং ১৮ শতকের শুরুতে যখন সুইডেন রাজনীতিতে আসে তখন রাজা এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা ভিন্ন এজন্ডা গ্রহন করে। যখন সুইডেনে রাজনৈতিক ক্ষমতা আসে তখন সুইডেনের একমাত্র প্রতিদ্বন্দী ছিলো রাশিয়া। আর তখন ইউরোপে রাশিয়ার সমকক্ষ বলতে একমাত্র অটোমান রাজ্য। ইতোমধ্যে ১৬৫৭ সালে রাশিয়ার বিরুদ্ধে সমর্থন লাভের জন্য রাজা কার্ল ১০ম গুস্তাভ ইস্তান্বুলে একজন রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করেন। অটোমান শাসকদের সাথে সুইডেনের সম্পর্ক যে গুরত্বপূর্ণ ছিলো সেটি বুঝা যায় ১৮ শতকে, যখন কার্ল ১২ গুস্তাভ ১৭০৯ সালে পলতোভায় রাশিয়ান আর্মিদের সাত চরমভাবে পরাজিত হয়। তখন সুইডেনের রাজা দেশে প্রত্যাবর্তনের আগে ৫ বছর অটোমান শাসকদের হেফাজতে ছিলো। ১৮ শতকে অটোমান শাসকদের সাথে সুইডেনের সম্পর্ক চলতে থাকে। সুইডেনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অটোমান সভ্যতার প্রসংশা শুরু করে এবং সুইডেনে তুর্কি বা পার্সি শেখাকে উতসাহিত করা শুরু করে। ফলশ্রুতিতে সুইডেন ইস্তান্বুলে একটি এ্যাম্বাসী স্থাপন করে। ফলে সুইডেনে ইসলাম একটু ভিন্নভাবে উপস্থাপন শুরু হতে থাকে। আগে যেখানে ইসলামকে ধ্বংসাত্নক হিসেবে দেখানো হত সেখানে মানুষকে টার্কিশ প্রথা এবং আচরনে অভ্যস্থ হতে দেখা যায়। ফলে মানুষের মধ্যে ইসলাম ধর্মের প্রথা এবং ধর্মতত্ত্বের উপর আগ্রহ তৈরী হতে থাকে।

১৮ শতকের শুরুতে ক্ষমতার সম্পর্ক ছিলো অনস্বীকার্য, সুইডেন এমন একটি অঞ্চলে ছিলো যে, অটোমান শাসকদের সমর্থন তাদের প্রয়োজন ছিলো, সেখানে অন্য কোন উপায় ছিলোনা। খুব ই দ্রুত সুইডেন অটোমান শাসকদের প্রতি ঋনী হয়ে পড়ে এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক অটোমান শাসকদের সুইডেনের প্রতি আগ্রহী করে তুলে। মজার বিষয় হলো এসব কিছুতে প্রভাবান্বিত হয়ে কার্ল ১২ গুস্তাভ ব্যতিক্রমী এক ডিক্রির মাধ্যমে দেশে চালিত এতোদিনের আইনের পরিবর্তন আনেন। যেসব মুসলিম এবং ইহুদী ১৭১৮ সালের দিকে অটোমান রাজ্য থেকে সুইডেনে আসে তারা নিজেদের ধর্ম পালনের নিশ্চয়তা লাভ করে।
আর এই ব্যতিক্রমের ফলে ধারাবাহিকভাবে আরো অনেক ব্যতিক্রমের সূচনা করে, যার ফলে বুদ্ধিজীবি সমাজের মধ্যে সংখ্যালঘু শ্রেনীর ধর্ম ও প্রথা নিয়ে আগ্রহের সৃষ্টি হয়।

চলবে——————-এরপর বিংশ শতাব্দীর আলোচনা।