তাবলীগঃ কিছু জিজ্ঞাসা ও বাস্তবতা। পর্ব-১

তাবলীগঃ কিছু জিজ্ঞাসা বাস্তবতা পর্ব

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ভ্রমনে কিছু তিক্ত অভিজ্ঞতা ও সোনারবাংলাদেশ ব্লগে এক ব্লগারের লিখা আমাকে তাবলীগ এর ব্যাপারে জানতে আগ্রহী করে তুলে। মূলতঃ আমি সব মুসলিম ভাইদের ভালোবাসি। যারা ইসলামের কথা বলে আমার ভালো ই লাগে। তাবলীগের বিষয়ে জানার আগে আমরা ইসলামের বিষয়ে কিছু দরকারী বিষয় জেনে নেই ;

) ধর্ম (Religion)

অক্সফোর্ড ডিকশনারী সংজ্ঞা অনুযায়ী:

The belief in and worship of a superhuman controlling power , especially a personal God or gods: or ideas about the relationship between science and religion

or a particular system of faith and worship: the world’s great religions

or a pursuit or interest followed with great devotion:

consumerism is the new religion

ধর্মের এই ব্যাখ্যা অন্যান্য ধর্মের ক্ষেত্রে ঠিক হলেও ইসলাম এই ব্যাখ্যা সমর্থন করেনা। কারন ইসলামে শুধু বিশ্বাস করলেই চলবেনা, সেই বিশ্বাসের বাস্তব সাক্ষ্য থাকতে হবে। এবং জীবনের যে চলার পথ সেটা জগতের রব প্রদত্ত বিধান মত ই হতে হবে।আবার ইসলামে কোন অংশ মেনে কোন অংশ না মেনে চলাও গ্রহনযোগ্য না। আর এইজন্য ইসলামে চলার জন্য রয়েছে সংবিধান হিসেবে আল-কুরআন এবং এর ব্যাখ্যা হিসেবে আল- হাদীস।

) দ্বীনঃ

কুরআনের দ্বীন শব্দটি বিভিন্ন সূরায় ব্যবহৃত হয়েছে। এর মধ্য থেকে কিছু উল্লেখ করা হলো

“নিশ্চয় ইসলামই হচ্ছে আল্লাহর নিকট একমাত্র মনোনীত জীবন বিধান (আনুগত্যের বিধান)। (সূরা আল ইমরানঃ ১৯ নং আয়াত)

এখানে আল্লাহ মানব জাতির জন্য দ্বীন হিসেবে ইসলাম কে মনোনীত করেছেন। সুতরাং ইসলাম কে যারা দ্বীন অর্থাৎ জীবন বিধান বা আনুগত্যর বিধান হিসেবে মেনে নিবে তারা ইসলামের অনুসারী হবে এবং তারা মুসলিম হিসেবে আখ্যায়িত হবে।

“তিনি (আল্লাহ ) যিনি তার রাসুলকে হেদায়াত ও আনুগত্যের সত্য বিধানসহ পাঠিয়েছেন যেনো উহা অন্যসব বিধানের উপর প্রতিষ্ঠা লাভ করে দেন, ( সূরা তওবাঃ ৩৩ নং আয়াত)

“আর নভোমন্ডল ও ভূ-মন্ডলে যা কিছু আছে সবই তার অধীন। আর অনিবার্যভাবে আনুগত্য তারই জন্য। ( সূরা আন নাহলঃ আয়াত ৫২)

দ্বীন শব্দটির পূর্ণ অর্থ হয় সত্য, সঠিক, নির্ভূল জীবন বিধান। আর পারিভাষিক অর্থে দ্বীন ইসলাম বলতে বুঝায় আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সাঃ) প্রদর্শিত নির্ভূল জীবন বিধান যা মানুষের ব্যক্তিগত জীবনে এবং সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনের সকল দিক ও বিভাগগুলোকে মেনে চলতে হয়। আর সেটা যারা করে কুরআনের দৃষ্টিতে তারাই মুসলিম বা দ্বীনের অনুসারী।

 

) ইসলা্মঃ

ইসলামের খুব সুন্দর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে জিব্রাইল (আঃ) এর মাধ্যমে। এ প্রসঙ্গে একটি বিখ্যাত হাদীস যা হাদীসে জিব্রাইল নামে পরিচিত সেটি উল্লেখ না করলেই নয়। হাদীসটির কয়েকটি লাইন উল্লেখ করছি।

“হযরত উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমরা রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। এমন সময় এক ব্যক্তি আমাদের সামনে উপস্থিত হলেন। তার পরিধেয় বস্ত্র ছিলো ধবধবে সাদা এবং মাথার চুল ছিলো কুচকুচে কালো।অবশেষে তিনি রাসুল (সাঃ) এর নিকট বসলেন এবং নিজের দুই হাটু তার দুই হাটুর সাথে ঠেকিয়ে এবং নিজের দুই হাত তার দুই উরুর উপর রেখে বললেন , হে মুহাম্মদ ! আমাকে ইসলাম সম্পর্কে অবহিত করুন। তিনি বললেনঃ ইসলাম হচ্ছে, তুমি সাক্ষ্য দিবে, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মদ (সঃ) আল্লার রাসুল, সালাত কায়েম করবে, যাকাত দিবে, রমযান মাসে রোজা রাখবে এবং হজ্জ্বে যাওয়ার সামর্থ্য থাকলে হজ্জ্ব করবে. আগুন্তক বললেন , `আপনি ঠিক বলেছেন`”।

সুতরাং ইসলাম হলো কতগুলো জিনিসের সামষ্টিক রূপ। কোন অংশে বাদ দিয়ে সম্পূর্ণ ইসলাম কে কল্পনা করা যায় না। পরন্তু যারা আল্লাহ কে রব অর্থাৎ জগতের পালনকর্তা বলে সাক্ষ্য দিবে তাদের দ্বারা সেই পালনকর্তার রাজ্যে বসবাস করে তার বিধানকে অমান্য করার এখতিয়ার ও কারো নেই। বাংলাদেশে বসবাস করতে হলে যেমন বাংলাদেশের আইন মেনে চলতে হয়, নতুবা কারাগারের বদ্ধ কুঠুরী তার স্থান। তেমনি জগতের যিনি শাসনকর্তা তার বিধান কে অমান্য করে শুধু মৌখিক স্বীকৃতি দিয়ে পার পাওয়া যাবে না। সেটা বাহ্যিক ভাবে মেনে চলতে হবে। না হলে তার শাস্তি তাকে পেতে হবে।

 

) বিদায়াতঃ

শরিয়াত মতে , আল্লাহর ইবাদত এমনভাবে করা যা আল্লাহ আমাদের নির্দেশ দেননি অথবা এমনভাবে আল্লাহর ইবাদত করা যা রাসুন (সাঃ) অথবা তার সাহাবা (রাঃ)-রা করেননি।

বিদা্য়াতের বৈশিষ্ট্যঃ

সুতরাং বিদায়াত হচ্ছে সেটি :-

১) ইবাদতের পদ্ধতি / আত্নিক/ ধর্মীয় কাজ যা কুরআন ও সহী হাদিস দ্বারা প্রমানিত না।

২) যেটাকে ইসলামের অংশ মনে করে করা হয়।

৩) যা সওয়াবের মাধ্যম হিসেবে মনে করা হয়।

৪) সেগুলো করলে বাহ্যত কোন ক্ষতি দেখা যায় না।

৫) যেগুলোর ভিত্তি হলো জাল হাদিস যা প্রমান হিসেবে মেনে নেয়া যায় না।

৬)  প্রথাগত কোন অনুষ্ঠান যেগুলোকে ইসলামের মুখ্য অংশ মনে করা হয়।দায়াতঃ

                                                

Allah All Mighty says in the Quran:

“Today I Have completed for you your religion and perfected my favor upon you and have chosen Islam as your Religion”(Quran: 5:3)

‘A’isha reported Allah’s Messenger as saying: He who innovates things in our affairs for which there is no valid (reason) (commits sin) and these are to be rejected.

—Aisha, Translation of Sahih Muslim, Book 18: The Book Pertaining to Judicial Decisions (Kitab Al-Aqdiyya)

Allah’s Apostle said, “If somebody innovates something which is not in harmony with the principles of our religion, that thing is rejected.”

—Aisha, Translation of Sahih Bukhari, Book 49: Peacemaking

He who innovates or gives protection to an innovator, there is a curse of Allah and that of His angels and that of the whole humanity upon him.

—Muhammad (Peace be upon him), Translation of Sahih Muslim, Book 9: The Book of Divorce (Kitab Al-Talaq)

So whoever innovates in it an heresy (something new in religion) or commits a crime in it or gives shelter to such an innovator, will incur the curse of Allah, the angels and all the people,…

—Muhammad (peace be upon him), Translation of Sahih Bukhari, Book 80: Laws of Inheritance (Al-Faraa’id)

`Abd Allah ibn `Umar said: “Every innovation is misguidance, even if the people see it as something good.

Ibn ‘Abbaas also said: “Indeed the most detestable of things to Allaah are the innovations.

Sufyan Al-Thawri mentions: “Innovation is more beloved to Iblees than sin, since a sin may be repented from but innovation is not repented from” and “Whoever listens to an innovator has left the protection of Allaah and is entrusted with the innovation[“.

Al-Fudayl bin ‘Iyaad mentions: “I met the best of people, all of them people of the Sunnah and they used to forbid from accompanying the people of innovation”.

Hasan al-Basri mentions: “Do not sit with the people of innovation and desires, nor argue with them, nor listen to them”.

Ibraaheem ibn Maysarah mentions: “Whoever honours an innovator has aided in the destruction of Islaam.”

Al-Hasan ibn ‘Ali al-Barbahari mentions: “The innovators are like scorpions. They bury their heads and bodies in the sand and leave their tails out. When they get the chance they sting; the same with the innovators who conceal themselves amongst the people, when they are able, they do what they desire.”

Abu Haatim said: “A sign of the people of innovation is their battling against the people of Narrations.”

Abu ‘Uthmaan as-Saaboonee said: “The signs of the people of innovation are clear and obvious. The most apparent of their signs is their severe enmity for those who carry the reports of the Prophet.”

Muhammad ibn al Uthaymeen, a prominent modern-day scholar, wrote: “And there is no such thing in Islaam as bid’ah hasanah (good innovation).”

When a religious innovation is implemented, it is generally felt that the innovator is assuming that the Sunnah is not good enough, that he must resort to something “better.” Even though this statement would be an admission of disbelief – there are some innovations that contain shirk and there are some which allow someone to remain a Muslim, while his action is rejected (regardless of any sincerity it might have had).

বিঃদ্রঃ (বিদায়াত এর ইংশিল অংশটুকু কাট-কপি করা)

References:

http://en.wikipedia.org/wiki/Bid%E2%80%98ah

http://quran.com/16

http://www.islamieducation.com/en/ja-al-haq-beliefs-of-ahlesunnah/innovation-bidat-in-islam.html

http://www.islamieducation.com/en/ja-al-haq-beliefs-of-ahlesunnah/innovation-bidat-in-islam.htmlhttp://javeria.wordpress.com/2009/07/30/what-is-bidahinnovation-in-islam/

1 Comment

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s